অল ফিমেইল ব্যান্ড এবং রকদুনিয়া || দেবপ্রিয়া পাল

অল ফিমেইল ব্যান্ড এবং রকদুনিয়া || দেবপ্রিয়া পাল

SHARE:

The world’s most famous and popular language is music.

পৃথিবীতে কেউ কারো ভাষা না বুঝলেও শুদ্ধ সুর ঠিকই চিনে নিতে পারবে। কালের বিবর্তনে নতুন ধারার সংগীতের জন্ম হয় এবং পরিবর্তনের মাধ্যমে বিস্তৃতি ঘটে। পশ্চিমা বিশ্বের সংগীত নিয়ে কথা বললে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যে-ধারাগুলো মুখে আসে তা হলো — রক, পপ, মেটাল ইত্যাদি। শব্দগুলো উচ্চারণ মাত্র মগজ প্রবেশ করে অন্য জগতে। বিটলস্‌, লেড জ্যাপলিন, গান্স অ্যান্ড রোজেস … আরও কত কত ব্যান্ড’র নাম আসে মুখে, তাদের কালজয়ী গান বাজে কানে!

রকসংগীতের উৎপত্তি সাধারণত ধরা হয় জ্যাজ ও ব্লুজ থেকে। বিশ শতকের চল্লিশ এবং পঞ্চাশ দশকের মধ্যে এ ধারার প্রচলন শুরু হলেও ষাটের দশকে ‘বিটলস্‌’ এই ধারাটিকে সীমান্তের বাঁধ ভেঙে বিশ্বময় জনপ্রিয় করে তোলে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে হতাশাগ্রস্ত তরুণদের রকসংগীত মিলিত করে এক আলোকিত আকাঙ্ক্ষার মঞ্চে। অতিদ্রুত রকসংগীত পরিবর্তিত হয়ে বিভিন্ন উপধারা সৃষ্টি করে, সাথে সাথে আমরা পেতে থাকি কালজয়ী ব্যান্ডগুলো।

কিন্তু ব্যান্ড প্রথাটা পুরোটাই চলতে থাকে পুরুষ আধিপত্যের মাঝে। তাহলে কি! প্রকৃতি তো থমকে থাকে না। আধিপত্যের সীমানা ডিঙিয়ে এই ধারা এসে নতুন রূপ পায় সত্তরের দশকে, যখন কিবোর্ড, গিটার, ড্রামসের জগতে আসে অল ফিমেইল ব্যান্ড।

pleasure seekers
ষাটের দশকে ‘গোল্ডি অ্যান্ড দ্য জিঞ্জার ব্রেডস’, ‘দ্য প্লেজার সিকার্স’ এবং সত্তরের দশকের প্রথম দিকে ‘ফ্যানি’ অল ফিমেইল ব্যান্ডের পথপ্রদর্শক হিসেবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। কিন্তু আকাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন এত দ্রুত বাস্তবে মুখদর্শন দেয়নি।

সত্তরের দশকের শেষের দিকে রকমিউজিকে এসে যুক্ত হয় একটি নাম — ‘দ্য রানঅ্যাওয়ে’। টিনেজ মেয়েদের এই আমেরিকান ব্যান্ডদলটি ‘চেরি বোম্ব’ গানটির মাধ্যমে ঝড় তোলে রকসংগীত ঘরানায়। গানটির মূলকথায় কিশোরী মেয়েদের প্রতি পারিবারিক এবং সামাজিক প্রতিক্রিয়াশীল দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা হয়। বিশ্বের যে-কোনো কোণায় বসে একজন স্বাধীনতাপ্রিয় কিশোরী এই গানের সাথে খুব সহজে মিশে যেতে পারবে। ১৯৭৬ সালে ব্যান্ডটি তাদের প্রথম অ্যালবাম বের করে এবং ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী তাদের জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে যেতে থাকে। কেবল বাণিজ্যিকভাবেই তারা সফলতা পান যা তখনও অন্য কোনো ফিমেইল ব্যান্ড ছুঁতে পারেনি তা কিন্তু নয়; গানের কথা, সুর, পোশাক, এবং জীবনচর্চা তাদের কিংবদন্তি করে রেখেছে আজও। হার্ড রক এবং পাঙ্ক রক ধারা দৃঢ়ভাবে অন্যান্য পুরুষ ব্যান্ডদলগুলোর মতো তারা চর্চা করতে থাকেন। তৎকালীন সময়ে প্রকটরূপে চলতে-থাকা লিঙ্গবৈষম্যের চিত্র এবং এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হবার উৎসাহ যোগান দেয় রানঅ্যাওয়ের গাওয়া গানগুলো। “I wanna be where the boys are, I wanna fight how the boys fight, I wanna love how the boys love, I wanna be where the boys are” — এই গানের কথায় প্রকাশ পায় কিভাবে ফুঁড়ে বেরিয়ে এসে তারা সবাইকে সাহসী ভঙ্গিমায় মেয়েদের স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন। ব্যান্ডটি অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে বহু মানুষকে, প্রভাবিত করেছে পুরুষ-নারী নির্বিশেষে অনেক শিল্পীকে।

দ্য রানঅ্যাওয়ের মতো একই শহর থেকে উঠে আসে আমেরিকান আরেকটি অল ফিমেইল ব্যান্ড দ্য গো গো’স। মেয়েদের ব্যান্ডের ইতিহাসে দ্যা গো গো’স একমাত্র দল যারা নিজেদের লেখা গান গেয়ে এবং ইন্সট্রুমেন্ট বাজিয়ে নতুন রেকর্ড গড়ে। নিঃসন্দেহে ব্যান্ডটি অন্যমাত্রা নিয়ে আসে যা রকমিউজিকে মেয়েদের অবস্থান আরও শক্ত করতে সাহায্য করে। ১৯৮১ সালে তাদের প্রথম অ্যালবাম ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিট’ নিয়ে তোলপাড় ওঠে সংগীতজগতে। আমেরিকাতে তাদের গাওয়া প্রথম সিঙ্গেল ট্র্যাকটি হচ্ছে ‘Our lips are sealed’। তখনকার সময় ‘উই গট দ্য বিট’ এবং ‘আওয়ার লিপ্স আর সিল্ড’ গানগুলো মুখে মুখে প্রচলিত ছিল। ফলস্বরূপ, রোলিং স্টোন ম্যাগাজিনের সর্বকালের সেরা ৫০০ অ্যালবামের লিস্টে জায়গা করে নেয় ‘বিউটি এন্ড দ্য বিট’। ব্যান্ডটির গানের কথাগুলো তাদের দুঃসাহসিকতা এবং তেজময় ব্যক্তিত্বের কথা জানান দেয়। ‘দিস টাউন’ গানটি থেকে উদ্ধৃত কয়েকটি বাক্য হচ্ছে, “We are all dreamers, We are all whores, Discarded stars, like worn out cars” — যা তাদের চেতনার রঙ গাঢ় করে দেখতে সাহায্য করে।

১৯৮২-তে তাদের দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘ভ্যাকেশন’ অতটা সাড়া না ফেলতে পারলেও ইউএসএ চার্টের সেরা দশে স্থান করে নেয়। যদিও ১৯৮৫ সালের দিকে ব্যান্ডটি অস্তিত্বসংকটে ভুগে প্রায় ভেঙে যায়, কিন্তু ১৯৯০ সালের দিকে আবার ব্যান্ডটি একত্রিত হয়। পরবর্তীকালে ২০০১-এ একটি স্টুডিয়োঅ্যালবাম রিলিজ করে যার নাম গড ব্লেস দ্য গো গো’স। ব্যান্ডের বাইরেও দ্য গো গো’স-এর সদস্যদের ব্যক্তিগত সফলতা উল্লেখযোগ্য। এখনও গুগলে ফিমেইল রক ব্যান্ড লিখে সার্চ করলে দ্য গো গো’স-এর নামটা উঠে আসে। বলে রাখা উচিত যে, এই দলটির সংগীত দ্বারা প্রভাবিত হয় আরেকটি অল ফিমেইল ব্যান্ড ‘ব্যাঙলস্‌’ যার নাম সংগীত-অনুরাগীরা অবশ্যই শুনেছেন। আজ ২০১৭-তে যখন তাদের গানগুলো ফ্যুল ভল্যুমে বাজে তখন মারো মারো ভঙ্গির কিছু গানপাগল তরুণীর চেহারা চোখে ভাসে।

bananarama
এরইমধ্যে ১৯৭৯ সালে লাইন-আপ করে একটি ব্রিটিশ পপ মিউজিক ফিমেল ব্যান্ড ব্যানানারামাব্যানানারামাই একমাত্র মেয়েদের ব্যান্ডদল যারা ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত টানা টপচার্টে থেকে নাম লিখিয়েছে গিনেজ বুকে। বাল্যবন্ধু কেরিন উডওয়ার্ড এবং সারা ডালিন কলেজে পড়াকালীন পরিচিত হন সিয়োহান ফাহির সঙ্গে। তিনজনের পপ মিউজিকের প্রতি ভালোবাসা গভীর হওয়ায় বন্ধুত্ব জমে ওঠে খুব দ্রুত এবং এই ত্রিভূজ পরবর্তীকালে ব্যানানারামা  ব্যান্ডটি গড়ে তোলেন। ১৯৮৩ সালে তাদের প্রথম অ্যালবাম ‘ডিপসি স্কিভিং’ আসে, যার একটি গান ‘নো ফিলিং’ ব্রিটিশ ম্যুভি ‘পার্টি পার্টিতে’ নেওয়া হয়। প্রথম অ্যালবাম দিয়েই ইংলিশ ব্যান্ডটি ব্রিটেনে যথেষ্ট সফলতা অর্জন করে। তবে আমেরিকাতে তাদের খ্যাতি এনে দেয় ১৯৮৪-তে মুক্তিপ্রাপ্ত দ্বিতীয় অ্যালবামের গান ‘ক্রুয়েল সামার’ যা পরবর্তীকালে বিখ্যাত ম্যুভি ‘দ্য কারাতে কিড’-এ ব্যবহার করা হয়। দ্বিতীয় অ্যালবাম ব্যানানারামাতে গাওয়া গানগুলো নির্দিষ্টরূপে সামাজিক সচেতনতার দিকে দৃষ্টিপাত করে। ব্যান্ডটির সদস্যদের মতে তখন সমসাময়িক সমস্যাগুলো তুলে ধরা দায়বদ্ধতার দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যেমন, ‘হটলাইন টু হ্যাভেন’ গানটিতে নেশার বিরুদ্ধে তাদের শক্ত অবস্থানের চিত্র ফুটে ওঠে এবং ‘রাফ জাস্টিস’-এ তুলে ধরা হয় মূল্যবোধের প্রতি সামাজিক উদাসীনতার কথা। ১৯৮৬ সালে আসে তৃতীয় অ্যালবাম ‘ট্রু কনফেশন’, যেখানে ‘ভেনাস’ গানটি তাদের আন্তর্জাতিক সাফল্য এনে দেয় এবং দলটির সিগ্নেচার-স্যং হয়ে যায়। ১৯৮৮ সালের দিকে ফাহি বিয়ে করে ব্যান্ড ছেড়ে চলে যান, যদিও ১৯৯৮ সালে আবার একত্রিত হন। এই সময়টা জ্যাকুইন ও’সুলিভান ভালোভাবেই চালিয়ে নেন। ব্যানানারামা একে একে বের করে পপ লাইফ (১৯৯১), আল্ট্রা ভায়োলেট (১৯৯৫), এক্সোটিকা (২০০১), ভিভা (২০০৯) প্রভৃতি অ্যালবাম। বলা বাহুল্য, আজও এই ফিমেইল ব্যান্ড লক্ষণীয়ভাবে সংগীতকে সমৃদ্ধ করে যাচ্ছে।

spice girl৯০ এর দশকে রেকর্ড ভাঙতে নেমে আসে একটি ইংলিশ গার্লপপ গ্রুপ যার নাম স্পাইস গার্লস। তখনকার সময় পপ মিউজিকে ‘টেইক দ্যাট’, ‘ইস্ট সেভেন্টিন’ প্রভৃতি ছেলেদের পপ ব্যান্ডগ্রুপ রাজত্ব করছিল। সেই বন্ধুর পরিবেশে প্রতিযোগিতামূলক দল হিসেবে আবির্ভাব ঘটে মেয়েদের এই পপ ব্যান্ডগ্রুপটির। তাদের গানই যে শুধু মাত করে দেয় দর্শকদের তা-ই নয়; — তাদের ফ্যাশন, চুলের স্টাইল, পোশাক যেমন অনুকরণীয় ছিল তেমনি নিক্‌ নেইম দেওয়ার চর্চাটা ৯০-এর দশকে তারাই জনপ্রিয় করে তোলেন। পাঁচ স্পাইস কন্যার প্রত্যেকের একটি করে নিক নেইম ছিল। এমা বান্টন (বেবি স্পাইস), ভিক্টোরিয়া বেকহাম (পোশ স্পাইস), গ্যারি হ্যালিওয়েল (জিঞ্জার স্পিস), মেলানি ব্রাউন (স্ক্যারি স্পাইস), মেলানি চিশোম (স্পোর্টি স্পাইস)। ১৯৯৬ সালে বের হয় গ্রুপটির প্রথম সিঙ্গেল ট্র্যাক ‘ওয়ানা বি’ যা তাদের বিশ্বময় জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দেয়। এই গানে তখনকার সময়ে অনেক ফিমেইল ব্যান্ড দ্বারা চর্চা করা ‘গার্ল পাওয়ার’ স্লোগ্যানের সাথে ঐক্যের ছাপ পাওয়া যায়।

এরপর পাঁচ কন্যার আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তাদের প্রথম অ্যালবাম ‘স্পাইস’-এর  ৩১ মিলিয়নেরও বেশি কপি বিক্রি হয় এবং সর্বকালের সেরা গার্লপপ গ্রুপের একটিতে নাম লেখায় স্পাইস গার্লস। বিজ্ঞাপনী সংস্থাগুলো হন্যে হয়ে টাকা ঢালতে থাকে যার দরুণ পেপসি, চকলেট, স্পাইসগার্ল ডল-এর মতো আরও অনেক বিজ্ঞাপনী সংস্থার সাথে তাদের চুক্তি হয়। স্পাইস গার্লস চলে যায় জনপ্রিয়তার চরমে যা তখনকার সময় যে-কোনো ব্যান্ডের জন্য একটা স্বপ্ন ছিল। ১৯৯৭ সালে তাদের অভিনয়প্রতিভার দেখা পান দর্শকরা ‘স্পাইস ওয়ার্ল্ড’ ম্যুভিতে। ১৯৯৮ সালের দিকে একটি ভাঙনের দেখা দেয় যখন গ্যারি হ্যালিওয়েল ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে গ্রুপটি থেকে বিদায় নেন। তারপর ২০০৭-এর দিকে এই পাঁচ কন্যা পুনরায় একত্রিত হন ওয়ার্ল্ডওয়াইড কন্সার্ট ট্যুরের ভিত্তিতে, যেখানে প্রথম লন্ডনে ‘দ্য রিটার্ন অব স্পাইস গার্লস’-এর ওয়ার্ল্ড ট্যুর টিকিট সোল্ড আউট হয় ৩৮ সেকেন্ডের মধ্যে। এই তথ্যে তাদের জনপ্রিয়তা সম্পর্কে নিশ্চয়ই অনেক অনুক্ত কথা বোঝা যাচ্ছে, যা আর বলার অবকাশ রাখে না।

অস্কারপ্রাপ্ত এআর রহমানের কম্পোজিশনে ‘জয় হো’ গান নিশ্চয়ই শুনেছেন শ্রোতারা যা ‘পুশিক্যাট ডলস’-এর গাওয়া ছিল। ‘স্পাইস গার্লস’-এর মিউজিকে প্রভাবিত হয়েছেন বলে স্বীকার করেন এই অল ফিমেইল ব্যান্ড দলটি। একটু ভেবে দেখুন, ৯০-এর দশকে সামান্য প্যারোডিনাচিয়ে এ-দলটির ২০০৫ সালে প্রথম ডেব্যু অ্যালবাম পিসিডি (পুশিক্যাট ডলস) মুক্তি পায় যার ৫ মিলিয়নেরও বেশি কপি বিক্রি হয়। সফল এ-দলটি ‘চার্লিস অ্যাঞ্জেল : ফ্যুল থ্রটল’  মুভির দ্য পিঙ্ক প্যান্থার থিম-এ নেচে গেয়ে দর্শক মাতান।

পাঙ্ক-পরবর্তী যুগে ‘দ্য রেইনকোটস’ জনপ্রিয় হয় তাদের প্রথম সিঙ্গেল ‘ফেইরিটেল ইন দ্য সুপারমার্কেট’ দিয়ে। ১৯৯৬ সালে দলটির পঞ্চম অ্যালবাম বের হয় ‘ল্যুকিং ইন দ্য শেডোস’। এর মধ্যে ব্যান্ডটি অনেক ভাঙাগড়ার মধ্য দিয়ে যায়। তবে শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে নতুনত্ব দিয়ে শ্রোতাদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে। তাদের চর্চা হার্ডরক এবং পাঙ্করক হতে প্রভাবিত হলেও একটা ভিন্নতা খুঁজে পাওয়া যায় মিউজিকে যা মোহগ্রস্ত বাধ্য করবে। নীল আলোতে কানে হ্যাডফোন গুঁজে ‘দ্য রেইনকোটস’-এর গান শুনেই দেখুন, বুঝে ফেলবেন সুরে ও সংগীতে তারা কতটা রাজত্ব করছে।

এভাবে একপা-দুইপা করে অল ফিমেইল ব্যান্ডগুলো এগোতে থাকে রক, পপ এবং পরবর্তীকালে মেটাল মিউজিকে। আজকাল খুব সহজে ‘এল সেভেন’, ‘ইলাস্ট্রেশন’, ‘দ্য সেভেজ’ নামগুলো উঠে আসে যখন কোনো ব্যান্ডের কথা আলোচনা করা হয়।

আধিপত্যের দেয়াল তখন ছিল এখন নেই এমনটি কিন্তু না। পপ, পাঙ্ক, রক, মেটালের মতো সংগীত মেয়েরাও যে চর্চা করতে পারে শুধু তা-ই নয় বরং সফলতার সাথে সংগীতকে সমৃদ্ধ করার ক্ষমতাও মেয়েদের আছে — এতক্ষণ ধরে লেখাটিতে ছিল তারই সূচনার কিছু টুকরো গাথা। পূর্বজদের জন্য শ্রদ্ধা এবং তাদের পথ অনুসরণে আমরা যে-উত্তরসূরিদের পেয়েছি তাদের জন্য শুভকামনা, — যেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বিশ্বজুড়ে মেয়েরা স্বপ্ন দেখতে পারে এবং বৈরী হাওয়াকে অনুকূলে এনে পাল তুলে ছুটে যেতে থাকে।

… …

 

COMMENTS

error: