জুলিয়ার বাতচিত (৩)

জুলিয়ার বাতচিত (৩)

সাহিত্য পড়ার মধ্য দিয়া আমরা যা আবিষ্কার করি সেই বিষয়ে বলে শেষ করা যাবে না। আমি আমার বয়ঃসন্ধি থেকেই এই আবিষ্কারকের কাজটা নিয়মিত করছি এবং আমার জীবনে সেরা অর্জনগুলোর একটা হচ্ছে এই সাহিত্য পড়বার অভ্যাস।

‘রানওয়ে ব্রাইড’ ম্যুভির বিয়েপোশাকগুলা আমি যত্ন করে রেখে দিয়েছি। সিন্দুকের ভিত্রে এইগুলা রাখা আছে ন্যাপথালিন দিয়া। আমি খুলেও দেখি না। আমার মেয়ে হ্যাজেল বড় হয়ে এইগুলা দেখে মজা পাবে। সে তার বন্ধুদের লগে এইগুলা নিয়া সাজুগুজুর খেলা খেলতে পারবে।

সব অভিনয়শিল্পীই চায় একটাবার অস্কার বগলদাবা করতে। এর ব্যত্যয় নাই। কিন্তু তার মানে এইটা না যে অস্কার পাবার জন্যে আপনার চারপাশের সবকিছু গুছিয়ে প্ল্যান করে আগাইলেন আর একদিন শুভক্ষণে পেয়ে গেলেন অস্কার হাতের মুঠোয়। এইভাবে সম্ভব হয় না।

প্রত্যেকটা মানুষের মুখ একেকটা আলাদা অনন্য গল্প। তবে এই গল্পগুলোর কোনোটাতেই ডাক্তারখানায় দৌড়ানোর দৃশ্যটা আমরা পড়তে চাই না।

এমন কোনো দুনিয়ায় আমি দিনযাপন করতে চাই না যেখানে শ্রেষ্ঠ অভিনয়শিল্পীর পুরস্কার পাব শুধু আমি আর অভিনয়শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে থাকা ডেঞ্জেল ওয়াশিংটন তা পাবে না।

আমি জীবনে সম্পূর্ণ সুখী। জীবনের প্রত্যেকটা ফোঁটা প্রত্যেকটা স্পন্দন ভালোবাসি আমি।

পুরানা কায়দায় কিলঘুষি দিয়া মারামারি আমার পছন্দ। লোকে যদি গোস্বা হয় একে-অন্যে তাইলে বড়জোর ঘুষাঘুষি করুক। আপনি যদি ভীষণ ক্ষেপে যান কারো প্রতি তাইলে থাবা বাগায়া যান অসুবিধা নাই, কিন্তু থাবার নখরগুলো অবশ্যই নিয়মিত ছেঁটে রাখবেন।

নগ্ন হয়ে কোনো অভিনয় আমি পারতপক্ষে করতে চাই না। ব্যক্তিগতভাবে আমার ধারণা, কাপড় পরে আমি যা করি তা হচ্ছে অভিনয়শিল্প; আর কাপড় খুলে বড়জোর তথ্যচিত্র হতে পারে, শরীরের বাঁক-রেখা-স্বাস্থ্যবৈভবের তথ্যবিবরণী।

মামুলি একটা মানুষ আমি যার পেশাটা পছন্দসই এবং অসাধারণ।

শরীর একটা দারুণ যন্ত্র এবং এই যন্ত্রটা জানে নিজের যত্ন নিতে হয় কেমন করে। আমার মনে হয় ত্বকে প্রসাধনদ্রব্য ঘষে বা দেহের বাহ্যিক যত্নআত্তি করে আমরা শরীরকে যতটা বাঁচাইতে চাই তারচেয়ে বেশি ভালোভাবে বাঁচানো যায় শরীরকে একটা মনমতো কাজ যুগিয়ে দিয়ে।

চয়ন, সংকলন ও অনুবাদন : বিদিতা গোমেজ

… …

COMMENTS

error: