জুলিয়ার বাতচিত (৮) 

জুলিয়ার বাতচিত (৮) 

SHARE:

থিয়েটারে যেতাম সবাই মিলে, এইটা দারুণ সুন্দর অভিজ্ঞতা আজও। আব্বা আমারে আর আমার বইনেরে নিয়া যাইতেন মঞ্চশালায় নাট্যপ্রযোজনাগুলা দেখাইতে। সেই সময়টায় আমরা তো ছোট, পুরাই পিচ্চি বলতে গেলে, ছয় কিংবা সাতের মতো তখন বয়স আমাদের।

অনেক বললেও কমিয়েই বলা হবে এই জীবনে আমার ক্ষেত্রে সাহিত্য পড়ার অবদান ও ফজিলত বা ফায়দা। আবিষ্কার করেছি জীবনটারে বলতে গেলে সাহিত্যেরই বদৌলতে। সেই কিশোরীকাল বা তারুণ্যের পয়লা রাইতদিনগুলায় সাহিত্য পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠাটাই জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জনগুলার মধ্যে একটা।

আমার জীবনটা আগাগোড়া আস্ত প্রবৃত্তিতাড়িত, প্রবৃত্তিপ্রভাবিত, প্রেরণায়িত একটা জীবন। প্রবৃত্তি দিয়াই আমি ঠিকঠাক পথটা আবিষ্কার করসি। প্রবৃত্তির কাছ থেকে প্রেরণা পাইসি, অনুপ্রাণিত হইসি। জীবনে যখনই আমি প্রবৃত্তি দিয়া চালিত হই নাই কিংবা চালিত হইসি যুক্তি দিয়া, আমি পথভ্রান্ত হইসি এবং পরে পস্তাইসি।

অল্পের মধ্যেই অগাধের আস্বাদ করা যায় বেশি। এই কথাটা আরও প্রযোজ্য ম্যুভিস্ক্রিনে চুম্বনের দৃশ্যে অভিনয় করা এবং দেখার সময়।

হ্যাট পরতে বেশ লাগে আমার কাছে। এবং বিশেষ করে যাদের চুলের কোয়ালিটি অত সুবিধার না তাদের বেলায় হ্যাট হইতেসে একটা দারুণ অ্যাক্সেস্যরি।

কথাটা আমার কাছে বেজায় ফানি মনে হয় কেউ যখন বলে যে জুলিয়া আমারে বোধহয় পছন্দ করে না। আরে চান্দু, তোমারে যদি জুলিয়া পছন্দ না করত তাইলে সে সবার আগে তোমারেই জানাইত।

চয়ন, সংকলন ও অনুবাদনবিদিতা গোমেজ

… …

COMMENTS

error: