নগরনাট সঞ্জীবস্মরণ

নগরনাট সঞ্জীবস্মরণ

অনেক অনেকদিন আগের কথা। আজ থেকে ঢের আগে এবং আগামী দিনের অনেক কাছে একটা গানের ম্যেইফেলে গেছিলাম। ২০১৮ অব্দের নভেম্বর মাস, নির্দিষ্ট করে দেখতে গেলে ১৯ নভেম্বর। সঞ্জীব চৌধুরীর প্রয়াণদিনে একটা সাংগীতিক স্মরণ ও শ্রদ্ধার্ঘ সন্ধ্যার আয়োজন করেছিল নগরনাট। ইনডোর। ঘরোয়া আসর। মাইক্রোফোনের প্যাঁপোঁ নাই। এসপিফোর সাউন্ডসিস্টেমের হালুমহুলুম গুড়ুমগাড়ুম নাই। মিউজিক পুরাটাই। কিছু মানুষ গাইছিল, শুনছিল কিছু, আর কিছু লাগে? অ্যাঙ্কোরিঙের নামে বেয়াড়া নামঘোষণা আর ইম্যাচিউর ইনানিবিনানি দরকার আছে? কিছু লোকে গাইছিল, তদুপরি ইন্সট্রুমেন্টস্ সহ, শুনছিল জনাকয় মিলে, এবং সংগীত হচ্ছিল, সঞ্জীব হচ্ছিল, সকলেই জীবিত হচ্ছিল, পুনরুজ্জীবন ঘটছিল, অন্তর্গত পুনর্জাগৃতিও, সঞ্জীবিত সন্ধ্যায় সেই নভেম্বরশীতে।

সেবারকার নভেম্বরে শীত পড়েছিল জব্বর। জোব্বাজাব্বা চাপায়ে  একটা নাট্যমহড়ার কামরায় ঠাণ্ডা টাইলসমোড়ানো ফ্লোরে বসে আছে জনাকয় গানশ্রোতা। কামরার একদিকে গাইয়েরা হার্মোনিয়্যম-তবলা নিয়া গোল হয়ে বসা, সাকুল্যে জনা-দশেক গাইয়ে-বাজিয়ে, আরেকদিকে গুটিকয় গানশ্রোতা। আলোয়ান-কার্ডিগ্যান-জ্যাকেট-স্যুয়েটার পরে যেই লোকগুলো জবুথবু বসেছিল, পরস্পর অপরিচিত এই প্রতিবেদকও ছিল সেই শীতসান্ধ্য বসন্তের দলে, গান শুরু হতে না হতে সবাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে গানের উষ্ণ আঁচে ও আভায়। একটানা সতেরোটা গান শোনা হয় প্রায় চার্চমিউজিকের কয়্যার হার্মোনিক ব্যাপ্ত প্রশান্তি নিয়া। প্রায় প্রত্যেকটা গানই বৃন্দবাদন ও সম্মেলক কণ্ঠবিন্যাসের কারণে একটা আলাদা আমেজ যুক্ত করছিল বহুশ্রুত ও জনপ্রিয় সংগীতকাজগুলোর অবয়বে। এবং, বলা বাহুল্য, প্রত্যেকটা গানই বলতে গেলে সঞ্জীব চৌধুরীর কম্পোজিশন। কোনো-কোনোটা বাপ্পারও, বাপ্পা মজুমদারের, কোনো-কোনোটার গীতিকার অন্য কেউ হয়তো, সব-কয়টা গানের অরিজিন্যাল রেন্ডিশন সঞ্জীবের, দলছুট  সঞ্জীব চৌধুরীর, সন্দেহ নাই।

সিলেটের সুরমাপারে যেইখানে জমিদারি সিঁড়িগুচ্ছ ও ঘড়িগৃহখানা আছে কিনব্রিজঢালু ঘেঁষে, সেইখানেই তোপখানা রোড, সেইখানেই সারদা হ্যল্। অবশ্য সারদা হ্যল্ কি আছে এখনও? সম্মিলিত সংস্কৃতিসিপাহসালারেরা তা জানেন ভালো। কর্পোরেশনের এই দাপটকালে নাকের বদলে নরুন গ্রহণের নীলনকশায় যারা শামিল হয় তারাই ফিটেস্ট ফর সার্ভাইব্যাল। সারদা হ্যল্ নাই, অনেক বছর হলো সিটি কর্পোরেশনের ক্যাটার্পিলারের জঞ্জাল আর লোহালক্কড়ের গুদাম হয়েই বিরাজিতেছিল ঐতিহ্য-হয়ে-ওঠা সারদা হ্যল্, অনেকদিন গণগ্রন্থাগারের বই শিফট করা হয়েছিল, পরে একসময় আধুনিক অসভ্য নকশায় নির্মাণাধীন হ্যলের নির্মাণকাজ সাঙ্গ হয়েছে বলে শুনেছি কিন্তু কোনো প্রোগ্র্যাম হইতে দেখি না। নাটামি হইতে দেখি হামেশা, নাটকের রিহার্স্যালকর্মে ব্যবহৃত হয় সারদা হ্যল্ কম্পাউন্ড, জনশ্রুতি আছে, বেশকিছু মহান নাট্যদলের সাংগঠনিক তৎপরতা সারদা হ্যলের কমপ্লেক্স থেকেই নির্বাহিত হয়। কাজেই, সৃষ্টিপ্রোডাক্টিভ কর্মকাণ্ডেই সিলেটের হেরিটেইজ সারদা হ্যল্ ব্যবহৃত হচ্ছে ভেবে সান্ত্বনা পাইনু।

নগরনাট  সঞ্জীবস্মারক সংগীততর্পণ অনুষ্ঠানটা আয়োজিত হয়েছিল সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সুপরিসর কামরায়। সারদা হ্যলেরই বিল্ডিংকম্পাউন্ডে। নভেম্বরের ১৯ তারিখ ২০১৮ বাদ মগ্রেব। সতেরোটা গান একটানা। নাগরিক ও লোকজ ললিতকলা লালন, পরিপোষণ ও পরিবেশনার দল নগরনাট। সিলেটে এই পার্ফোর্ম্যান্সনির্ভর গণনাট্য ও গণগানের দলটি নিয়মিত শো করে থাকে মুক্ত ময়দানে বা রুদ্ধকপাট কামরায়। এরই মধ্যে একযুগ পারায়ে এসেছে লোকপরিমণ্ডলে  সাংস্কৃতিক উদ্দীপনা সঞ্চারকারী এই দলটি। সিলেটের বাইরে দেশজোড়া পরিচিতি রয়েছে নগরনাটের বিশেষভাবেই পার্ফোর্মিং আর্টসের অ্যারেনায়। নিয়মিত ময়দানে-মাঠেঘাটে-শহিদবেদিতে মিউজিক-মাইম-পথনাটক উপস্থাপনার পাশাপাশি থিয়েটার প্রযোজনার দিকে নগরনাটের রয়েছে বিশেষ ঝোঁক।  বলবার কথাটা হচ্ছে, সেই ২০০৭ নভেম্বরে সঞ্জীবপ্রস্থানের পর থেকে এত বছর ধরে এই শহরে নগরনাট উদি না দিয়া প্রায় প্রতিবছর সঞ্জীব স্মরণে গানের অনুষ্ঠান করে আসছে। একবার নয়, বছরে অন্তত দুইবার। নভেম্বরে সঞ্জীবপ্রয়াণদিনে এবং ডিসেম্বরে সঞ্জীবজন্মদিনে। এর ব্যত্যয় হতে দেখা যায় নাই এখনও।

২০১৮ নভেম্বরে নগরনাট জোর কদমে রিহার্স করছিল তাদের নয়া নাটকের প্রোডাকশন নিয়া। ‘বাইচাল’ ছিল বোধহয় সেই স্ক্রিপ্টের নাম। মঞ্চোপযোগী করতে যেয়ে একটা নাট্যকাজের পেছনে মেহনত করতে হয় কেমন ও কতটা, তা তো অনুমেয় সহজেই। কিন্তু নগরনাট  সঞ্জীবস্মরণ করে থাকে একদমই নিজেদের অন্তর্তাগিদ থেকে। এই কাজে তাদের কোনো স্পন্সর-প্যাট্রন দরকার হয় না তা নয়, কিন্তু পয়সাছাড়া প্যাট্রন পাওয়া গেলেও পয়সা দেবে এমন স্পন্সর-প্যাট্রন কই এ-শহরে এই দেশে? প্রোফিট মার্জিনের প্রোজেকশন ঠিকঠাক না দেখাইতে পারলে এবং কর্পোরেটের কোলাবোরেটর না হলে কে দ্যায় টাকাকড়ি? ঠিক এই বিবেচনা থেকেই হয়তো নগরনাট  খুবই মিনিম্যালিস্টিক অ্যাপ্রোচ অবলম্বন করে থাকে তাদের প্রোগ্র্যাম প্রেজেন্টেশনগুলায়। ইনডোরে যেটুকু না-হলেই নয় সেটুকু শব্দব্যবস্থা বা খালিগলাতেই ইন্সট্রুমেন্ট বাজিয়ে, যেমন প্রতিবেদিত এই ইভেন্টে হয়েছিল প্রযুক্তিদ্বারস্থ হওয়া ব্যতিরেকে খালিগলায় গানবাজনা,  গানগুলো অ-মাইক হবার কারণে একটা আলাদা টেইস্ট সেদিন গিয়েছিল পাওয়া। আয়োজন ঝকমারি কিছু না হলেও কম্পোজিশনগুলা মারডালা। আউটডোরে হলে একটু শব্দবিবর্ধন যন্ত্রের আয়োজন তো লাগেই। কিন্তু কোনো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট বণিকের দরকার হয় না নগরনাটের অনুষ্ঠানগুলায়, তারা নিজেরাই নিজেদের প্রপ্স-স্টেজ-সাউন্ড-ডেকোর-প্রোমো সবকিছু করে থাকে।

টেলিভিশনের বাকশো আর ইউটিউবের ঘুপচি স্ক্রিনের বাইরে খোলামেলা হাওয়ায় পার্ফোর্ম্যান্স নিয়া হাজির হবার নিদর্শন নগরনাট  একমেবাদ্বিতীয়ম একলা না হলেও গুটিকয়েকের মধ্যে এক। ও, অনন্য, অনেক দিক থেকেই নগরনাটের ইউনিক্নেস প্রতিপন্ন করা যায়। সেসব অন্য প্রতিবেদনার প্রসঙ্গ। সঞ্জীবস্মরণ সংগীতোৎসব/সংগীতসভার আয়োজনে এবং আন্তরিকতায় নগরনাটের উদ্যম অ্যাক্নোলেজ করতে কেউ কুণ্ঠিত হবেন মনে হয় না। বাংলা গানের সমকালিক চর্চায় এবং বিকাশে এ-ধারার আয়োজনগুলো প্রশস্তি গাইবারই যোগ্য বলে এই রিপোর্টারের দৃঢ় বিশ্বাস।

তর্ক তফাৎ থাক, বিশ্বাসেই মিলাক। গোটা সতেরো সুর ও সংগীতকর্ম শুনে যে-এক্সপেরিয়েন্স হয়েছে সেইটা এককথায় স্নিগ্ধ, সুন্দর, সুবর্ণ। মোটমাট দশজন পার্ফোর্মার প্রধানত সম্মেলকে এবং দুইয়েকটা এককে গেয়ে শোনালেন সঞ্জীবের সতেরোটা গান। অত পুঙ্খানুপুঙ্খ মনে থাকার কথা না, তারপরও যদ্দুর মনে পড়ে সেদিন সন্ধ্যায় বাদ্যিযন্ত্রের মধ্যে ছিল তবলা, হার্মোনিয়্যম ও মৃদঙ্গ। মৃদঙ্গই কি? ইয়াদ নাই পুরা, আবছা স্মৃতি মৃদঙ্গ বলিয়াই সাক্ষ্য দিচ্ছে। অ্যানিওয়ে। এবং ছিল শিস, ওষ্ঠ ও অধরের ম্যাজিক। খুবই দুর্ধর্ষ ছিল শিসকর্ম। সব গানে নয়, বেশ কয়েকটা গানে শিস অত্যন্ত সুপ্রযুক্ত হয়েছিল মনে পড়ে।

যে-গানগুলা গাওয়া হয়েছিল নভেম্বরনম্র অগ্রহায়ণসন্ধ্যায় সেদিন, নোটস্ রেখেছিলাম বলে সেই ইনফোগুলা সার্চ করে পেয়েছি রিসেন্টলি। ‘রিকশা কেন আস্তে চলে না’, ‘হাতছানি দ্যায় বাংলাদেশ’, ‘তোমার বাড়ির রঙের মেলায় দেখেছিলাম বায়োস্কোপ’, ‘তোমার ভাঁজ খোলো আনন্দ দেখাও’, ‘হৃদয়ের দাবি রাখো’, ‘আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল চাঁদ’, ‘আমি তোমাকেই বলে দেবো’, ‘এই কান্নাভেজা আকাশ আমার ভালো লাগে না’, ‘শাদা ময়লা রঙ্গিলা পালে আউলা বাতাস খেলে’, ‘আমি ঘুরিয়া ঘুরিয়া সন্ধান করিয়া স্বপ্নের ওই পাখি ধরতে চাই’, ‘হাওয়া রে তুই বাজা নূপুর’, ‘এই নষ্ট শহরে নাম-না-জানা যে-কোনো মাস্তান’, ‘দোলো ভাটিয়ালি এ নদী রূপালি’, ‘আমার বয়স হলো সাতাশ’, ‘চল বুবাইজান’, ‘কথা বলব না আগের মতো কিছু নেই’ এবং ‘সমুদ্রসন্তান’ — সতেরোটা গানের এই লিস্টি দেখে একটু হলেও আন্দাজ পাওয়া যাবে সেই সন্ধ্যার ভাঁজখোলা আনন্দ ও উপভোগের মাত্রা।

নারী-পুরুষের সমবেতকণ্ঠ সমস্ত কোরাস খুবই শৃঙ্খলাপূর্ণ হয়েছিল। যথেষ্ট হার্মোনাইজডও। অরূপ বাউল, দেবপ্রিয়া পাল, সোনিয়া সুভদ্রা, দেবজ্যোতি দেবু, রূপম প্রমুখ কয়েকজন আর্টিস্টের নাম পার্শ্ববর্তী জনৈক শ্রোতাকে জিগায়া জানা গেছিল। টুকে রেখেছি শিল্পী বলতে এই কয়েকজনের নাম। সবার নামই টুকিয়া রাখা উচিত ছিল, সম্ভব হয় নাই, ভুল হয়ে গেছে। অ্যানিওয়ে। এর মধ্যে একজনকেই বেশিরভাগ গানে লিড নিতে দেখা গেল, ভোক্যালসের লিড, হার্মোনিয়্যমও উনিই প্লে করছিলেন বেইসিক্যালি। অরূপ বাউল। অন্যরাও দরকারমাফিক ভোক্যালে লিড নিচ্ছিলেন। যেমন, সোনিয়া সুভদ্রা ‘হাতছানি দ্যায় বাংলাদেশ’ গানের কণ্ঠনেতৃত্ব ভালোই দিলেন দেখা গেল। স্বপ্নবাজি অ্যালবামের টাইটেলগানের রেন্ডিশন দেবজ্যোতি দেবু সোলো হিশেবে বেশ উৎরে দিলেন। এই গানের লগে পাঠ-অংশটুকু অরূপ বাউল করেছেন। সুঁচালো সুললিত ভঙ্গিমা বা নাটকীয় নক্লিপনা — কারণ যা-ই হোক পাঠে তত মন বসে নাই। অনুষ্ঠানের লেজের দিকটায় আরেকজন পার্ফোর্মার এসে জয়েন করলেন, গিটারটা হাতে নিয়ে বেশ কতক্ষণ সঙ্গত্ করলেন গানের সঙ্গে, জিগ্যেশ করে জানা গেল উজ্জ্বল চক্রবর্তী শিল্পীর নাম। নগরনাটের প্রধান কণ্ঠ ও নিয়মিত অনুষ্ঠানপ্রযোজকদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ উজ্জ্বল চক্রবর্তীকে সেই সন্ধ্যায় ভোয়েস্ দিতে দেখা যায় নাই।

ছিমছাম অনুষ্ঠানের তারিফ করতেই হয়। শীতের রাত হ্রস্ব অতি। কিন্তু সতেরোটা গান শুনেও মনে হচ্ছিল শুনতে পারব সতেরোটা আরও। যতটুকু শোনা হয়েছে, এক্সপেরিয়েন্স মন্দ নয়। একটা জিনিশ আগে সেভাবে খেয়াল করি নাই যে, সঞ্জীবের গান তবলায়-হার্মোনিয়্যমে বেজায় ভিন্ন রকমের সুখশ্রাব্য হয়। হার্মোনিয়্যমে গাইবার সময় ঢিমেতালে একটা ভাব তৈয়ার হয়, যা গানগুলার কারুণ্য ও স্বচ্ছতোয়া বিষাদের পারদটা আরও খোলতাই করে তোলে। লেলাইয়া-লেলাইয়া  গাওয়া বলতে যেই জিনিশটা সিলেটি এলাকায় পরিচিত, নগরনাটের পরিবেশনায় এই জিনিশটা অমোচনীয়। সঞ্জীবগানগুলার বেলায় জিনিশটা ফার্স্টহ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স হিশেবে বেখাপ্পা লাগে নাই। কিন্তু এই ভঙ্গিটাই, লেলাইয়া-লেলাইয়া গাইবার ভঙ্গিটাই, অন্য অনেক ক্ষেত্রে বিরক্তিও উৎপাদন করতে পারে। সেইটা যা-হোক, অ্যাক্যুস্টিক দিয়া গাইবার সময় একটু হলেও গতি ধীর হয়েই যায় ম্যে বি। কিন্তু মন্দ লাগে নাই এই অনুষ্ঠানে এহেন কুম্ভগতির সঞ্জীবপ্রেজেন্টেশন।

প্রতিবেদনে পূর্ণযতি টানবার সময় এসে গেছে। এই নিবন্ধের ব্যানারে যেই ইমেইজটি ব্যবহৃত হয়েছে, এইটা ’১৮র প্রোগ্র্যামের দৃশ্য নয়। ম্যে বি তার আগের বা আরও আগের কোনো সঞ্জীবসন্ধ্যার পিকচার এইটা। গ্যুগলসার্চ দিয়া ছবিটা পাওয়া। তাছাড়া, ভিতরের ছবিদ্বয় ’১৮রই। ভিতরে ব্যবহৃত ছবিদ্বয় রিপোর্টারের সেলফোনের কমজোরি ক্যামেরামারফতে এবড়োখেবড়ো অপটু তোলা।

সারাবছর শহরজোড়া সাংস্কৃতিক বিবিধ কর্মতৎপরতায় ব্যস্ত থেকেও নগরনাট  সঞ্জীবজন্ম ও সঞ্জীবপ্রয়াণের দিনদুইটা পালন করে আসছে অদ্যাবধি নির্গ্যাপ ধারাবাহিকভাবে। একটা শহরের সাংস্কৃতিক সাক্ষরতায় নগরনাট  কন্ট্রিবিউট করে চলেছে কোনো প্রতিবন্ধকতার দিকে ভ্রুক্ষেপ না করে। এইটা বাংলাদেশের পার্সপেক্টিভ থেকে দেখলে অনেক বড় একটা ঘটনা।

লেখা / সুবিনয় ইসলাম

… …

COMMENTS

error: