একজন লেখক তার সময়ের শক্তিমান লেখকদের একজন হলেই হলো। ব্যাপারটা তো কুস্তি না; ‘দশকের/প্রজন্মের/শতকের সেরা লেখক’ মার্কা কোনো ক্রেস্ট বা সার্টিফিকেটও দেয়া হয় না রাষ্ট্রীয়ভাবে। বাংলাদেশে রাজকবি, রাজসাহিত্যিক বলেও কিছু নাই, বেতন-ভাতাও নাই। তারপরও কয়েক দশকের লেখকদের দেখলাম যার যার প্রজন্মের সেরা লেখক হবার জন্য মরিয়া। শামসুর রাহমান বা আল মাহমুদ তাদের প্রজন্মের সেরা লেখক হিসেবে যদি বিবেচিত হন মিডিয়া বা পাঠকসমাজে, তাতে লেখক হিসেবে সৈয়দ হক বা শহীদ কাদরীর আভিজাত্য মলিন তো হয় না। এইচ. এম. এরশাদের দেয়া জমি নেবেন নাকি নেবেন না, সেটা তো ভিন্ন হিসাব। সামনে যে দিন আসতেছে, তাতেও জমিও পাবেন না। এই যুগে ছোটখাটো চাকুরি, পুরস্কার এহেন নানা সুযোগ-সুবিধার জন্য সেরা লেখকের তকমার দরকার নাই। শ্রমটা তেলবাজিতে দিলেই হবে। যত প্রতিযোগিতা সব তো সুবিধা আদায়ের লড়াই। সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বলে কিছু হয় না। সৃজনশীল সত্তার সংগ্রাম কেবল নিজের সাথে।
- মানুষ ও যন্ত্রের ভবিষ্যৎ || আহমদ সায়েম - May 29, 2026
- আবের পাঙ্খা লৈয়া যাপিত সময়গুলি || রতন দেব - May 23, 2026
- কবিতা ও কবি ইন জাপান || জাকির জাফরান - May 21, 2026

COMMENTS