মেরিলের মুখবাণী (৪)

মেরিলের মুখবাণী (৪)

গভীরতর অসুখী মানুষদের কথা আপনি সবসময় মন দিয়া শুনবেন। চেষ্টা করবেন ওদের কথার ভিতর থেকে অসুখের কারণগুলা ফাইন্ড-আউট করতে। বেচারাদের কথায় রাগের বিস্তর উপাদান থাকলেও আপনি শান্ত মেজাজে তাদের কথাগুলা শুইনা যাইয়েন।

পার্ফেকশন নিয়া বাড়াবাড়ি আমার কাছে বিদঘুটে লাগে। পার্ফেক্ট লাইটিং, পার্ফেক্ট অ্যাক্টিং, পার্ফেক্ট এইটা, পার্ফেক্ট ওইটা, পার্ফেক্ট হ্যানত্যান … এইগুলা আমার কাছে সবসময় বিরক্তিকর মনে হয়।

প্রেক্ষাগৃহে যেয়ে প্রচুর ম্যুভি দেখি আমি। আমার চারপাশের আসনগুলায় লোকে ব্যাপক ফুর্তি নিয়া ছায়াছবি উপভোগ করে দেখতে পাই। কিন্তু আমি সিনেমা দেখতে যেয়ে একেবারে অল্পই হাসতে পারি। মনে হয় যেন আমি ভিন কোনো গ্রহ থেকে এসেছি। কিংবা ওই লোকগুলা যারা হাসতেসে সিনেমা দেখতে দেখতে হোহো। হলিউডের প্রত্যেকটা সিনেমাতেই নারীদেরে ভীষণ খেলো করে দেখানো হয়। আমি তাই হাসবার সুযোগ পাই না।

বুড়া বয়সে যেয়ে আমরা যা হব, সত্যিকার অর্থে আমরা তা-ই। কিংবা আমরা আট বছর বয়সে যেমন ছিলাম তেমনটাই হব আবারও বুড়াকালে যেয়ে।

দুনিয়াটা গোলাকার হওয়ায় ভালোই হয়েছে যে বেশি দূরের জিনিশ আমরা দেখতে পাই না। পাইলে কিন্তু খবর আছিল।

চয়ন, সংকলন ও অনুবাদন : বিদিতা গোমেজ

… …

গানপার

COMMENTS

error: