বিভাগ: গদ্য
গদ্য হলো মানুষের কথ্য ভাষার লেখ্যরূপ। এর বিপরীত হলো পদ্য বা কাব্য। গদ্যের প্রাথমিক ব্যবহার চিঠিপত্র লেখায়, দলিল-দস্তাবেজ প্রণয়নে এবং ধর্মীয় গ্রন্থাদি রচনায়। বাংলা পদ্যের ইতিহাস শুরু হয়েছে চর্যাপদ থেকে;

ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ১৩ || পাপড়ি রহমান
১৩.
সকাল ৭.৫০ ঘটিকায় তিনি তার পেখম মেললেন। আরেহ, তিনি একা নন, পাশে উনার স্ত্রী গোত্রীয় কেউ হবেন। বেশি বয়সে বিবাহিত পুরুষ যেমন স্ত্রীকে হারানোর ভয়ে ...

শ্রাবণবিদায়
ঢেউটিনে বৃষ্টি এঁকে রাখছে তার অপার্থিব আল্পনারাশি। বৃষ্টিপদশব্দে এই মধ্যযাম পার হলে আমারও তো পাবার কথা ঘুম, উল্টে দেখো পেয়েছে অঘুম! আমি বৃষ্টির বিস্তা...

জাকির জাফরান, বাংলা কবিতার তিন দশকের তবিলদার
কবিরা ভাষার তবিলদার।
কবি বলতে যে-কেউ, রচনা করেন যিনি, নির্মাণ করেন কিছু, রূপ দেন কল্পনার। ফর্ম হোক কবিতা বা না। পার্ফেক্টলি ইম্যাজিন্যাশন ক্রিয়েইট ও ...

শোনো পুঁইপাতা || জাকির জাফরান
শোনো পুঁইপাতা : পাণ্ডুলিপি পাঠভাষ্য
♣
ঢেঁড়স ফুলের চোখ দিয়ে আমি দেখছি আকাশ।
আমার দুচোখ বেয়ে বরবটি গাছ উঠছে অম্বরে। অতঃপর কলাবতী মেঘে। মেঘের ভিতরে গি...

জন্মগানের কৃতজ্ঞতা || মনোজ দাস
ননসেন্স রাইম ও ননসেন্স গফের বয়সে “যদি হইতাম”-মূলক একখানা টপিক থাকত। দুনিয়া দেখতে দেখতে বয়স বাড়লে যুক্ত হলো নতুন টপিক “কত বছর বাঁচতে চাও”। এর উত্তরে আম...

ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ১২ || পাপড়ি রহমান
১২.
সারাদিন শ্রাবণ মেঘের দিন। সারাদিন বাদলা রঙিন। জানি না এই বিদেশবাড়ির কেউ রবীন্দ্রনাথ শোনে কি না, শুনলে বলা যেত—
আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদর দিনে / জা...

একজন পোলিনা রাইকোর জাদুময় জগৎ || জয়দেব কর
শামসুর রাহমানের “দুঃখ” কবিতাটি আমাকে টানে। কবিতাটি পড়লেই দুঃখকে অভূতপূর্ব শব্দরঙে চিত্রায়িত করার এক অপূর্ব মুন্সিয়ানা চোখে ধরা দেয়। তার মাধুর্যে মুগ্ধ...

শূন্যতার ওজনের নিচে || রোদ্দুর রিফাত
আব্বা
পৃথিবী একটা ব্যস্ত মহাসড়ক—
আব্বা সেই মহাসড়কের বুকে
চিৎ হয়ে শুয়ে থাকা সাদা জেব্রাক্রসিং;
নিজেকে বিছিয়ে রাখেন আমাদের
সমস্যা ও দুর্ঘটনার আগ...

ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ১১ || পাপড়ি রহমান
১১.
মাস দুয়েকের বেশি হলো সেই চিরচেনা ভূমি, আমার অতি প্রিয় জন্মভূমি ছেড়ে এসেছি। যেই দেশেতে জন্ম আমার, যেন সেই দেশেতেই মরি...
উহু, মোর বীণা উঠছে না ...

অবিরত তোমাকে লেখা
তোমার কথাগুলো তোমার মতো করেই লিখিয়া রাখতে চাই। লিখে যেতে চাই তোমাকে একটুও অদলবদল না-ঘটায়ে, হেরফের না-করে তোমার, একটুও সংস্কার সংশোধন না-করে তোমার তুমি...










