লিলিগুচ্ছ (২)

লিলিগুচ্ছ (২)

মৃত্যুচিন্তা আমায় মাঝেমাঝে একদম অবশ করে ফ্যালে। এই যে বেঁচে আছি, ভ্যানিশ হয়ে যাব মুহূর্তেই। বিদঘুটে লাগে এই চিন্তা মাথায় এলেই। জীবনে আয়ুর ব্যাপারে আমার প্রত্যাশা খুব উচ্চ নয়, খালি মনে হয় আমি বেশিদিন বাঁচব না।

সত্যি বলতে কি, জীবনে বেড়ে-ওঠার দিনগুলায়, আমার ছোটবেলায়, কেইট উইন্সলেট আর টাইটানিকের জন্যই দিনগুলা ব্যাপক মধুর হয়েছে আমার জন্য। সবসময় আমি চেয়েছি ইতিহাসাশ্রিত ম্যুভিতে কাজ করতে এই কারণেই।

জামাকাপড়ের বৈচিত্র্য, রঙচঙা জামা, আমি ভীষণ ভালোবাসি। কিন্তু কপাল আমার মন্দ তাতে সন্দেহ নাই যে ব্যাগি-জাম্পার আর জিন্স ছাড়া হালফ্যাশনের জামা বাস্তবের আমি খুব কমই গায়ে চাপাতে পারি।

থিয়েটারে আরও বেশি বেশি অভিনয় করতে চাই আমি। থিয়েটারের স্টেজে কাজ করা আমার কাছে এক্সাইটিং লাগে খুবই। থিয়েটারে বেশি বেশি কাজ করলে বেশি বেশি রিস্ক ম্যানেজ করা যায় এবং অভিজ্ঞতায় নিজেরে শানিয়ে নেয়া যায়।

ন্যাচারালিই আমার কোমর অতি ছিপছিপে, সরু, চিকনা।

গান গাইতে বেজায় ভালোবাসি আমি। শিশুবেলায় আমি খালি গানই গাইতাম। সবসময় চেয়েছি সিঙ্গার হতে।

ফিল্মে কাজ করতে করতে এত হাঁপিয়ে উঠি যে ডায়েট কোক জিনিশটা থাকায় বেঁচে গেছি। দিনে এতবার হাঁপিয়ে উঠি আর এত ঘনঘন কোক খাই যা বলার নয়। একনিমেষে চাঙ্গা হয়ে উঠি ডায়েট কোকের ক্যানে চুমুক দিয়েই।

অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে কেইরা নাইটলিকে অ্যামেইজিং মনে হয় আমার কাছে। আমি এ-ও শুনেছি যে উনি নাকি ভীষণ শান্ত মেজাজের, ঠাণ্ডা মাথার, অত্যন্ত মাটিবর্তী বাস্তববোদ্ধা মানুষ। অত্যন্ত মেধাশাণিত মেয়েদের মধ্যে কেইরা নাকি উজ্জ্বলতর। শ্রদ্ধাভরে কেইরার কাজ দেখি আমি সবসময়। তার মধ্যে এত গুণ যে বলে শেষ হবার নয়। আন্দাজ করি যে কেইরা তার কাজ বাছাইয়ের বেলায় সাহসী সিদ্ধান্তগুলোই নিয়া থাকেন এবং নিজের বুদ্ধিতে একরোখা অটল থাকেন।

বিগ অ্যান্ড স্মল  সিনেমায় কেইট ব্ল্যাঞ্চেটকে দেখেছিলাম আমি। সিনেমাটা দেখার অভিজ্ঞতা আমার কাছে অবিস্মরণীয়। একটা দ্রষ্টব্য ব্যাপার এ-ই যে কেইট অত্যন্ত শক্তিশালী থিয়েটারশিল্পীদের মধ্যে একজন এবং একইসঙ্গে ফিল্মেও উনার তারকাখ্যাতি আকাশস্পর্শী।

রাজকুমারী কেইট মিডলটনের লগে একটাবার মুলাকাত হইল না আজও, দুঃখটা আমি রাখব কই?

চয়ন, সংকলন ও অনুবাদন : বিদিতা গোমেজ

… …

বিদিতা গোমেজ

COMMENTS

error: