পিয়ানো বাজাবার মতো শক্তসমর্থ একজোড়া হাতের মালিক আমি। কিন্তু করছিটা কি? পিয়ানো বাজানো তো দূর দিল্লি কা বাত, বসে বসে আলুর খোসা ছিঁলছি খালি।
কি পছন্দ করব আর কি করব না বা কোনটা উচিত কোনটা নয় তা নিয়া আমাদের বেশিরভাগের ভিতরেই একটা পূর্বনির্ধারিত মনশ্চৈতন্য কাজ করে বোধহয়। এইভাবেই বেড়ে উঠি আমরা। খুব-যে মুক্তচৈতন্য বেড়ে ওঠা তা তো বলা যায় না এইটারে। একটা প্রাকসিদ্ধান্তের ঘেরাটোপের ফোকর দিয়াই জিন্দেগি-বন্দেগি বিচার করিয়া যাই হুদা।
বাপ-মা আছিলেন অপেরার কণ্ঠশিল্পী, ছিলেন তারা স্বরশিক্ষক। সংগত কারণেই তাই ইয়াং ডেইজ থেকে আমি মিউজিশিয়্যান্স আর ড্যান্সার্স যারা তাদেরে তারিফ করতে করতে বেড়ে উঠেছি।
নিজের ঘরের ওম ছেড়ে রেডকার্পেট ইভেন্টে যায়া হাজিরা দেয়া আমার পক্ষে ব্যাপক পীড়নকর একটা ব্যাপার। তবু করতে হয় এই কাজটা হামেশা। আমি মনে করি পীড়নকর সমস্ত কর্মকাণ্ডের সামনে যথাসাধ্য মনমিজাজ ঠিক রাখাটাই বড় একটা কাজ।
টেলিভিশনে পেয়ে বসলেই নিশ্চিত জানবেন যে আপনার জিন্দেগিটা তামা।
চয়ন, সংকলন ও অনুবাদন : বিদিতা গোমেজ
… …
- আব্বাসউদ্দীন আল মাহমুদ - January 7, 2026
- ছবিলেখকের মিত্রকলা - January 6, 2026
- পরিভ্রমণের প্রেরণাবাহিত কবিতা - January 6, 2026

COMMENTS