গানলেখা আমারে হেল্প করেছে মানুষজনের লগে কমিউনিকেট করার ক্ষেত্রে। একটা ব্যাপার আমার মধ্যে গোঁড়া থেকে গেঁড়ে বসেছে যে আমি যদি গানে একটাকিছু এক্সপ্রেস করতে পারি, তাইলে সেইটা আমি বোধহয় বাস্তব জীবনেও প্রকাশ করতে পারব।
মাথা ফাঁকা হলে পরেই আমি সাধারণত লিখতে বসি। জিনিশটা আমার জন্যে এক ধরনের সেল্ফ-থেরাপি বলতে পারেন।
আম্মা আমারে প্রায়ই জিগাইত তুমি একটা মাস্তিফুর্তির গান কবে লিখবা। আমি এর উত্তরে একটা কথাই বলি যে ঠিক যেদিন থেকে আমি রিয়্যালি হ্যাপিস্যং মাস্তিফুর্তির গান লিখতে শুরু করব বুঝবা মানুষের দুনিয়ায় রিয়্যালি ভয়ের আবহ এসেছে এবং সবারই তখন ভয় পাওয়া আর সতর্ক থাকার সত্যি কিছু কারণ ঘটেছে।
আমি সবসময়ই ছিলাম লাজুক টাইপের। যে-কোনো কনফ্রন্টেশনে যেতে আমি ভীত সন্ত্রস্ত থাকতাম।
মেলোডির দিকেই আমি ফোকাসটা রাখতে চেষ্টা করি, আর বাকি সবকিছুই মিনিম্যাল রাখতে চাই। লিরিক্স আর মেলোডি, এই দুই জিনিশ আমার কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।
চয়ন ও অনুবাদন : বিদিতা গোমেজ
… …
- মানুষ ও যন্ত্রের ভবিষ্যৎ || আহমদ সায়েম - May 29, 2026
- আবের পাঙ্খা লৈয়া যাপিত সময়গুলি || রতন দেব - May 23, 2026
- কবিতা ও কবি ইন জাপান || জাকির জাফরান - May 21, 2026

COMMENTS