সিনেমা ও সিরিজের মধ্যে আমি সবসময়ই সিনেমার দিকে ঝুঁকি। এর একটা বড় কারণ হইলো সিনেমা আপনারে শুধু ওই ভিজ্যুয়াল এক্সপিরিয়েন্সই না, এর বাইরেও আরও কিছু এক্সপিরিয়েন্স দিবে যা হয়ত সিনেমাটা শেষ হয়ে যাবার পরও আপনার উপর প্রভাব ফেলবে। মূলত সব ধরনের শিল্পের কাজই এইটা। শিল্পটা যতক্ষণ চোখের সামনে থাকে তারচেয়ে বেশি যখন সামনে না থাকে সেই সময়ের প্রভাবই অনেকটা সফল শিল্পের রূপ। মাফ করবেন, আমি কোনও শিল্পতাত্ত্বিক নই, তাই এই বাক্যের সাথে আপনার দ্বিমত থাকতেই পারে। সেইটারে স্বাগতম। যে কথা বলছিলাম, সিরিজের তুলনায় সিনেমা আমার কাছে ওই অনুভূতি বা প্রভাব বেশি ফেলে। হতে পারে আমি সিনেমার প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট বলেই এমন মত। এইবারের অস্কারে আন্তর্জাতিক সিনেমার তালিকায় ‘ড্রাইভ মাই কার’ দেখার আগ পর্যন্ত আমার মত ছিলো মনোনয়ন পাওয়া ছবিগুলোর মধ্যে ‘অর্স্ট পার্সন ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’-কে আগায়ে রাখছিলাম। ‘ড্রাইভ মাই কার’ দেখতে দেরি হচ্ছিলো প্রায় তিন ঘণ্টার ছবি বলে। শেষ পর্যন্ত দেখার পর মনে হলো এইটাই আগে দেখা উচিত ছিলো। এই আরামটা দরকার ছিলো মনের।
- আলুপোড়া : স্বাদ, স্মৃতি ও সত্তা || আহমদ সায়েম - October 22, 2026
- মানুষের নিঃসঙ্গতা || মেকদাদ মেঘ - October 22, 2026
- তপন চৌধুরী, প্রিয় নব্বই ও নেত্রকোনা || আরেফিন টিটো - October 22, 2026

COMMENTS