আজ, প্রয়াত হলেন খ্যাতিমান বাউল পদকর্তা খোয়াজ মিয়া। তাঁর রচিত গান শুধু মাটির টানেই নয়, বহন করে আত্মতত্ত্ব, মানবতাবাদ ও প্রেমের এক অনুপম দিশা।
গ্রামের আখড়াবাড়ি থেকে শহরের সংগীতানুরাগী মহলেও তাঁর গান পেয়েছে আপন আসন। ভাবজগতের দীপ্ত এই পথিক তাঁর প্রয়াণে রেখে গেলেন গভীর শূন্যতা—বাউলসংগীত হারাল এক উজ্জ্বল মরমি পদকর্তাকে, মানুষ হারাল এক মানবিক হৃদয়কে।
শোক, শ্রদ্ধাঞ্জলি ও ভালোবাসা—খোয়াজ মিয়ার স্মৃতির প্রতি।
—ফজলুররহমান বাবুল ২৬ জুন ২০২৫
ইন্তেকাল করলেন বাউল খোয়াজ মিয়া। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আজ বৃহস্পতিবার ১২ আষাঢ় ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ২৬ জুন ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ ২৯ জিলহজ ১৪৪৬ হিজরি ইন্তেকাল করলেন বাউল খোয়াজ মিয়া। ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’ পঙক্তিওয়ালা গানটার রচয়িতা হিশেবে ইউটিউবযুগের শ্রোতাসাধারণের কাছে বেশ ব্যাপক আকারে দেশজুড়ে একটা পরিচিতি তিনি জীবনের শেষদিকে এসে পেয়েছেন হয়তোবা, তাঁর আসন যদিও লোকমহাজনি বাংলা বাউলগানের মহান পদকর্তাদের কাতারে।
গানপারে এই দুর্ধর্ষ স্যংরাইটার সিঙ্গারের সংগীতজীবন নিয়ে একটা আনুপূর্বিক অনুসন্ধানমূলক রচনা ছাপা হয়েছিল বছর দুই-তিনেক আগে। ‘খোয়াজ মিয়া : এক নিভৃতচারী মরমি বাউল’। এই বিদায়লগ্নে সেই রচনাটা, যা লিখেছিলেন কবি ও লোকগানগবেষক মোহাম্মদ জায়েদ আলী, পাঠ করি ফিরে আরবার।

বাউল খোয়াজ মিয়ার বায়োগ্র্যাফিক ইনফো মোহাম্মদ জায়েদ আলীর লেখাটায় বিস্তারিত উঠে এসেছে। বেশকিছু উল্লেখযোগ্য খোয়াজগীতিকার পঙক্তি লিঙ্কস্থ রচনায় এসেছে, যেই সূত্র ধরে অনুসন্ধিৎসু শ্রোতাপাঠক ও সমুজদারদের পক্ষে প্রয়াত সংগীতকারের কাজের অধিকতর হদিস করা সাধ্যাতীত হবে না আশা করা যায়।
আর, বাউল খোয়াজ মিয়ার প্রয়াণে দেশের দঙ্গল-বাঁধা সাহিত্যিক কবিলেখকদের বাইরে থেকে স্ট্যান্ড-অ্যালোন অরিজিন্যাল বাংলাদেশজ কবি ফজলুররহমান বাবুল শোক ও শ্রদ্ধা এক্সপ্রেস করেছেন নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে। সেই ক্ষীণ কলেবর ট্রিবিউটবাক্যগুলি দিয়া গানপার থেকে এই সদ্যপ্রয়াত সংগীতকারকে পে করি ট্রিবিউট আমাদেরও। — গানপার
- আলুপোড়া : স্বাদ, স্মৃতি ও সত্তা || আহমদ সায়েম - October 22, 2026
- মানুষের নিঃসঙ্গতা || মেকদাদ মেঘ - October 22, 2026
- তপন চৌধুরী, প্রিয় নব্বই ও নেত্রকোনা || আরেফিন টিটো - October 22, 2026

COMMENTS