এখানে থেসিস হলো, ধর্ম যার উৎসবটাও তার। কেউ যদি তার নিজের ধর্মের বাইরে গিয়ে অন্য ধর্মের উৎসব পালন না করতে চায় তার সেই সিদ্ধান্ত অবশ্যই ঠিক আছে। কিন্ত সে অন্য ধর্ম পালনে ক্ষতি বা বাধা না দিলেই হলো।
অ্যান্টিথেসিস হলো, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। এইটা যার যার স্বাধীনতার ব্যাপার। সে যদি ঈদ হয়ে পূজার ভেতর দিয়ে যাইতে চায়, তার সেই ব্যক্তিগত স্বাধীনতা থাকা দরকার। এখানেও সেই একই প্রশ্ন, তার দ্বারা অন্যের ধর্মের বা উৎসবের ক্ষতি সাধন না হইলেই হলো।

সিনথেসিস হলো, ধর্ম যার উৎসব তার হইতে পারে আবার সবারই হইতে পারে। কিন্ত রাষ্ট্রের কাজ হলো সবারই নিরাপত্তা দেয়া। সমাজের খবরদারি থামানোর জন্য নাগরিক স্বাধীনতারে হাইলাইট করে রাখা। তাইলেই চলে।
এই বেসিক প্রেমিসটুকু থাকলেই চলে।
মাইকের লাউড ভলিউম দিয়া চিল্লাইয়া আওয়াজ না দিলেও হয়। দিস্তা দিস্তা অসাম্প্রদায়িকতার বুলি না আওড়াইলেও হয়।
রাষ্ট্র তার কাজটুকু ঠিকমতো করলেই চলে।
- আধুয়া গ্রামের নৌকাপূজা : নানান ধারার গানের গ্রামীণ মেলা || বিমান তালুকদার - February 2, 2026
- ঊষর দিন ধূসর রাত : উপন্যাসের তন্তু ও তাঁত || রাশিদা স্বরলিপি - January 24, 2026
- সরস্বতী বিশ্বলোকে || সুশান্ত দাস - January 23, 2026

COMMENTS