আব্বাস কিয়ারোস্তামির (Abbas Kiarostami) কাজ নিয়া তাঁর ছেলে আহমাদের লগে আলাপ করাটা আমার জন্য সবসময় ভীষণ উদ্ভাসক ও একইসঙ্গে এন্টার্টেইনিং। আব্বাসের অন্তিম ফিচার ফিল্ম — অনন্য ও অনিন্দ্য ‘চব্বিশ ফ্রেইম’ (24 Frames) ফিচারের কথা বলতেসি — যুক্তরাষ্ট্রে প্রিমিয়ার হয়া যাবার পরে পরেই লিঙ্কন সেন্টারে ফেব্রুয়ারির দুই তারিখে ২০১৮য় আমি আব্বাসের লগে তাঁর বাবার শেষ কাজটা নিয়া আদ্যোপান্ত সবিশদ কথা বলতে বসি।
উল্লেখ করা দরকার যে ‘চব্বিশ ফ্রেইম’ প্রোজেক্টে আহমাদ একজন কো-প্রোডিউসার বটে এবং বাপের অকাল ইন্তিকালের পর আধুরা কাজটা আহমাদ কমপ্লিট করেন। সবসময় যেমন, এইখানেও, কথা বলতে বলতে আহমাদের কাছ থেকে বহুকিছু নতুন করে জেনেছি আমি।
ভিডিয়োটা — আহমাদ কিয়ারোস্তামি ও গডফ্রে চেশায়া মধ্যকার কথোপকথনের ভিডিয়োটা — প্রায় চল্লিশ মিনিট — অ্যাকুরেইটলি বিয়াল্লিশ মিনিট বারো সেকেন্ডের প্রশ্নোত্তরধর্মী ভিডিয়ো কন্টেন্ট — টানা কন্টিনিউ করে গেলে এক অন্তরঙ্গ কিয়ারোস্তামির সঙ্গে করমর্দন হতে পারে স্পেক্টেটর লিস্নারদের। ভিডিয়োটা সাঁটি নিচে :
আহমাদ কিয়ারোস্তামি ও গডফ্রে চেশায়া / আলাপচারিতায় আব্বাস কিয়ারোস্তামি ফিল্ম ও অন্যান্য
এইবার গডফ্রে কে — একটু বলি। ইনি ফিল্মক্রিটিক, জার্নালিস্ট ও ফিল্মমেইকার। নিউ ইয়র্ক সিটিরই বাসিন্দা। বিস্তর লিখসেন ‘দি নিউ ইয়র্ক টাইমস’, ‘ভ্যেরাইটি’, ‘ফিল্ম কমেন্ট’, ‘দি ভিলেজ ভয়েস’, ‘ইন্টার্ভিয়্যু’ প্রভৃতি ইনফ্লুয়েনশিয়্যাল পত্রিকায় লিখসেন নিয়মিত অনেক। রয়েছে বেশকিছু প্রকাশনা আরও তাঁর।
আর আহমাদের কথা আগেই বলা সারা। আব্বাসের পুত্রধন। উনিও গুণীজন। প্রোডিউস করেন ফিল্ম এবং আনুষাঙ্গিক। সার্চ দিলে বেশি জানা যাবে আরও। কথোপকথনটায় নিবদ্ধ হই। এক্সক্লুসিভ কিয়ারোস্তামির সাক্ষাৎ লাভ করি।
- একটা ডিলেট করা সিনের মধ্যে ঢুকে বসে আছি || নাফিস সবুর - March 27, 2026
- মেঠোসুরের আঠারো বছরপূর্তি সংখ্যা : লোকজ চেতনার নবউদ্ভাস || মিহিরকান্তি চৌধুরী - March 26, 2026
- জ্বালা-নি-সংকট || নাফিস সবুর - March 26, 2026

COMMENTS