জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ মুক্তি পাইলেন।
তো, দুনিয়ার আইটি অ্যালগরিদম তো এই সুযোগে অনেক বদলাইয়া ফেলছেন অথোরিটিরা। জেল দেওয়ার মারফতে সময় যেহেতু পাইছেন তারা।
আর এখন মুক্তি পাওয়ার পর পৃথিবী যে অ্যালিয়েন অ্যালিয়েন লাগবে, বন্দীদের কাছে যেমন লাগে, তো তাদেরকে এই সুযোগ দান করা বা বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজয় প্রদান করা, যা-ই বলেন, তা নিজেই একটা ট্রায়ালসম মুক্তির দশা।
তাও জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ হইতেছেন সেই হিরো, যা ক্ষমতাকে আরেকটা নতুন ক্ষমতার দ্বারা চ্যালেঞ্জ করে, যেই ক্ষমতা আবার ইন্ডিপেন্ডেন্ট না। যেহেতু আজকে আর কোনো দেশই ইন্ডিপেন্ডেন্ট না। ফলে ক্ষমতাগুলি এইটা ব্যবহার করে। ব্যাকফায়ার আর কি।
তবে, জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ রাস্তা দেখাইছেন। নেগোশিয়েটিং ক্যাপাবিলিটি বিল্ড করতে বলতেছেন। মূলত ক্ষমতাবানদেরকেই যদিও তা, এইখান থেকে অ্যাক্টিভিস্ট ও বিপ্লবীদের নেয়ার আছে অনেককিছু। ভবিষ্যৎ বিপ্লবীরা গায়ে আগুন না দিয়া, সুইসাইডাল বম্বিং না কইরা কীভাবে আগাইতে পারেন, সেই রাস্তা অ্যাসাঞ্জ দেখাইছেন।
- বাতাসে উড়ে যাচ্ছে ক্রিমসন, আছে সারমেয়চিহ্নিত মধ্যাহ্ন || আনম্য ফারহান - March 25, 2026
- আমার জীবনের নারীদের করকমলে রাখি জবাফুল || আনম্য ফারহান - March 16, 2026
- ট্র্যাডিশন, ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন, অ্যালিয়েনেশন || আনম্য ফারহান - March 7, 2026

COMMENTS