আমাদের ভজনদা প্রতিবছর আমাকে একটি ঈদসংখ্যা ‘সিল্করুট’ উপহার দেন। এ-বছরও পরম আদরে দাদা ঈদের উপহার দিয়েছেন।
ঈদসংখ্যার জন্য এক-সময় খুব অপেক্ষা করতাম। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেখে, মানে লেখকসূচি দেখে, অনেকগুলো ঈদসংখ্যা সংগ্রহ হতো। পত্রিকার সম্পাদকেরা বিশেষত সাহিত্যসম্পাদকেরা রীতিমতো প্রতিযোগিতা করে ঈদসংখ্যা সমৃদ্ধ করতেন। উপন্যাস-গল্প-কবিতা-প্রবন্ধ—সর্বত্রই একটা প্রাণ ছিল। উপন্যাসগুলো খসড়া থাকলেও একটা আখ্যানের স্বাদ পাওয়া যেত। বৈচিত্র্যও ছিল অনেক।
এখন মানুষের রুচি হয়তো বদলেছে। তাই সম্পাদকের সূচিও বদলে গেছে।
যদিও বলছি ঈদসংখ্যার আবেদন প্রায় মরে গেছে তবুও ঈদসংখ্যা আমি সংগ্রহ করি। সিল্করুটের সূচিতে এমন কিছু থাকে যার জন্য সংখ্যাটি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অন্যান্য দৈনিকের সাহিত্যপাতা থেকে সিল্করুট একটু আলাদা। সম্পাদক শানজিদ অর্ণব বরাবরই সিল্করুটকে অনন্যভাবে সাজান। ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে প্রত্যেকটি সংখ্যাই পরিকল্পিত।

উপন্যাস-গল্প-প্রবন্ধের বিচিত্রতায় এই সংখ্যাটিকেও, ২০২৬-এর ঈদসংখ্যাটিকেও, সম্পাদক পরিকল্পিতভাবে সাজিয়েছেন। তবে সিল্করুটের ঈদসংখ্যাতে কোনো কবিতা রাখেননি। কেন রাখেননি?
সরোজ মোস্তফা ১৪ মার্চ ২০২৬
- স্বাগত দুয়েন্দে || সরোজ মোস্তফা - May 19, 2026
- দার্শনিকতা, দৃশ্যকল্প, পরিহাস ও এক অপরিমেয় চোখ || সরোজ মোস্তফা - May 18, 2026
- রবীন্দ্রনাথের পারস্য যাত্রা || সরোজ মোস্তফা - May 15, 2026

COMMENTS