আবার বছর সাতেক পরে || বিজয় আহমেদ

আবার বছর সাতেক পরে || বিজয় আহমেদ

শেয়ার করুন:

দীর্ঘদিন পরে পুনরায় নতুন কবিতার বই বেরোতে যাচ্ছে অবশেষে। ২০১৭ সাল থেকে লেখার শুরু। প্রথম ড্রাফটটি শেষ হয় ২০২০ সালে। তারপর নানান এডিট, কাটাছেঁড়া, সংযোজন ও বিয়োজনের পরে ২০২৩-এর দিকে পাণ্ডুলিপিটি প্রস্তুত হয়ে যায়। তারপর অনেকের সাথে যোগাযোগ করেও, এর ব্যবস্থা করা হয়ে ওঠেনি। মনে পড়ে, একদম প্রথম ড্রাফটটি মেবি শামীম রেজা ভাই, মামুন রশীদ ভাই ও নয়ন (আলতাফ শাহনেওয়াজ) পড়েছিল, টাঙ্গাইলে বসে।

ফাইনাল ড্রাফটটিও মামুনভাই পড়েছিলেন, তাও বছর দুয়েক হয়ত হয়েই যাবে। তারপর ফাইনাল ড্রাফটটি, সরোজ মোস্তফাও পড়েছিলেন। প্রকাশক না পেয়ে বিধান সাহা ‘তিন আসমানের কিসসা’-র একটা বন্দোবস্ত করে দেন তার শ্রী ওয়েমম্যাগে এটা প্রকাশ করে। সেখান থেকেই, গ্রন্থটা পড়ার সুযোগ পান শুভ্র সরকার। তারপর শুভ্রদার একান্ত প্রেম ও মায়ায়, অবশেষে যন্ত্রস্থ হতে যাচ্ছে, আমার লেখা কাহিনিকাব্য তিন আসমানের কিসসার।

পুরো বিষয়টার দেখভাল করেছেন শুভ্রদা। রুদ্র আরিফের সিলভার স্পর্শ আছে আমার এ গ্রন্থেও। মায়া আছে সরোজদারও। গ্যাব্রিয়েল সুমন নামলিপি করে দিয়ে ও আল নোমান অসাধারণ অলংকরণ করে দিয়ে আমাকে কৃতজ্ঞ করেছেন।

বইটা হয়ত ৪-৫ দিনের মধ্যে ২০২৬ বইমেলায় পাওয়া যাবে এর পরিবেশক উড়কি ও উজানের স্টলে। প্রকাশিত হচ্ছে বুকিশের ব্যানারে।

দীর্ঘ ৭ বছর ধরে এই বইটা সাথে নিয়ে ঘুরছি, ল্যাপটপে করে। প্রকাশিত হচ্ছে ভেবে, আনন্দ লাগছে।

০২
আমার জীবনের সবচে ব্যস্ত ও মধুর সময় আমি কাটিয়েছি টাঙ্গাইল সিরাজগঞ্জ এলাকায় ২০১৫ সাল থেকে ২০২২-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত। আমার অনেক কবিতা, গ্রন্থই সেই অলৌকিক সময়ের গল্পে ভরপুর। প্রকাণ্ড যমুনা নদী ও তার দুই পাশে জনপদ, কেসসাকাহিনি, কত ভাবে যে আমাকে কৃতজ্ঞ করেছে!

মনে পড়ে গোহালিয়া গ্রামের অলৌকিক সব জোছনারাত। জলের শব্দ। জিন ও পরি। নদীবাহিত জীবনের কত হীরকখণ্ড দেখার সুযোগ যে খোদা আমাকে করে দিয়েছেন, তা বলে শেষ করা যাবে না। নত মস্তকে, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি আমি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

মনে পড়ে, যমুনার চর। বাগাড় মাছের প্রকাণ্ড লাফ। আর মনে পড়ে, বাজারে বিক্রি না হওয়া নিসঙ্গ গজারমাছের গল্প। জীবন, মধুর আবার যন্ত্রণার।

সেই মধু ও বেদনার আখ্যান এই কাহিনিকাব্য। স্বাগতম, আপনাদের।


বিজয় আহমেদ রচনারাশি

বিজয় আহমেদ
শেয়ার করুন:

COMMENTS

error: You are not allowed to copy text, Thank you