সংগীতের ইতিহাস নিয়া হারাম একটা অক্ষরও আমি জানি না।
অন্য যে-কোনোকিছুর চেয়ে বেশি দৃশ্যশিল্পের প্রতি আকৃষ্ট আমি। ভিশ্যুয়্যালি স্টিম্যুলেইটেড হই। মিউজিক অত-একটা আমার শোনা হয় না। আমি বরং টিভি দেখি বেশি, কিংবা ম্যুভি, ভিশ্যুয়্যাল আর্ট এইগুলাই বেশি উপভোগ করি।
লোকে আমার ব্যালাডগুলারে বেশি পছন্দ করে, ব্যালাডগুলা গাইবার ডাক পড়ে বেশি। অ্যাপারেন্টলি জিনিশটা আমার জন্যে ক্লেশকর মনে হলেও আমি তা সানন্দ করে থাকি। জিনিশটা ফান আমার জন্যে। লেখালেখি জিনিশটা, গানলেখা বা কিছু-একটা, আমার কাজের সবচেয়ে ফেব্রিট পার্ট।
আজকাল সাক্সেসফ্যুল আর্টিস্ট বনবার যেসব তরিকা হাজির দেখতে পাই চারপাশে, এইগুলা ভারি ডিসহার্টেনিং, বেজায় হৃদয়বিদারক, আক্কেল এক্কেরে গুড়ুম হয়ে যায় দেখেশুনে।
যখন আপনে এন্টার্টেইন করে চলেছেন উদয়াস্ত এবং এন্টার্টেইন করাটাই আপনার কাজ, দিনশেষে একটা ক্লান্তি ঘিরে ধরবেই ধরবে। এই ক্লান্তির খপ্পর থেকে নিস্তার নাই। তখন ক্ষতি যেইটা হয় যে একদম কাছের প্রিয় মানুষগুলারে আপনি কিছুই দিতে পারেন না আর। মানে, এনার্জিটাই থাকে না ভালোবাসার মানুষগুলারে একটু যত্নআত্তি করবার।
চয়ন ও অনুবাদন : বিদিতা গোমেজ
… …
- যেভাবে লিখিত হলো ফুলের ফসল || শুভ্র সরকার - March 11, 2026
- স্মৃতিগদ্যে এক নতুন বয়ানরীতির বই || রেজাউল করিম - March 7, 2026
- মুসাফিরের মসজিদ || মনোজ দাস - March 7, 2026

COMMENTS