প্রিয় গ্যাবো, প্রিয় গ্যাব্রিয়েল সুমন!
*
এখানে সকাল ৯.৪৬। আজ ৩ আগস্ট, ২০২৩। পশ্চিম টেক্সাসের লাবাকে আজ মন উথালপাথাল করা বাতাস। একটু আগে বারান্দায় বসে ছিলাম। সকালের মিষ্টি রোদ উঁকিঝুঁকি মারছিল। আর আমি চন্দ্রগ্রস্ত শুনছিলাম।
আপনি বলছিলেন, মাথার উপর চন্দ্র জ্বেলে রাখি / আনন্দে তাই ভিজে গেল আঁখি। আহা! সে কী সুন্দর সুর আর দীর্ঘ দীর্ঘ এক গান! সুমন, আমার বুক কিন্তু ধুকপুক ধুকপুক করছিল। আনন্দে। বিষাদে।
*
কবিদের লিরিকে অসাধারণ শক্তি থাকে সাধারণত। জীবনযাপনে যখন কোনো ভণিতা থাকে না। অন্তরে যখন থাকে মুক্তো বা হীরা নামের বিষ। তখন আত্মায় সাপের ছোবলের মতো অশান্তি কাজ করে। পাখিও আনন্দে নীল হয়ে যায়। তখন এ-ধরনের গান লেখা হয়, গাওয়া হয় মেবি।
আমি আপনার গানের অপেক্ষায় ছিলাম বহু বহু দিন। অনেকগুলো বছর। আমি চাইতাম, আপনার গান শুনুক সবাই। আপনাকে ভালোবাসতাম। ভয়ও পেতাম। আজও বাসি সুমন, আপনাকে।
*
গল্প শেষ হয়ে যায় আবার শেষ হয়ও না, আপনি বলছেন গানে। মায়া জমে থাকে। শুধু অজানা থেকে যায় জলের উপর কাহার ছায়া পড়ে থাকে! জলের উপর ছায়া পড়ে, মাথার উপর চন্দ্র জ্বেলে থাকে। সুমন, আনন্দে ভিজে যায় আঁখি। ভিজে যাচ্ছে আঁখি।
*
সুমন, আপনার শিল্পযাত্রা চিরকালের হোক। আপনার গান শুনে আমি কাঁদতে চাই। ভাসতে চাই। ঈর্ষায় নীল হতে চাই। ভালোবাসি, গ্যাব্রিয়েল সুমন!
পড়ুন পূর্বপ্রকাশিত চন্দ্রগ্রস্তরিভিয়্যু গ্যাব্রিয়েলের গান, লিখেছেন আহমদ মিনহাজ
বিজয় আহমেদ রচনারাশি
গ্যাব্রিয়েল সুমন রচনারাশি
- ঊষর নগর, পরিচর্যাহীন মাতৃত্ব ও জীবনচক্রের সংকট : পাপড়ি রহমানের উপন্যাস : পরিবেশবাদী নারীবাদী পাঠ || উম্মে কুলসুম - April 19, 2026
- কেন লিখি? || হামীম কামরুল হক - April 17, 2026
- মানিকের সানগ্লাস || সোহরাব ইফরান - April 12, 2026

COMMENTS