‘ম্যাডোনা ইজ ফাইন্যালি ফেইসিং হার মর্টালিটি’ শিরোনামে অ্যাডাম হোয়াইট নামে এক আগে-এর-কোনো-লেখা-পড়ি-নাই কিসিমের লেখকের দীর্ঘকায় নিবন্ধটি ইউকে-বেইসড ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকায় পাব্লিশ হয় ছাব্বিশের জুলাইগোড়ায়, ম্যাডোনার ‘কনফেশন্স দুই’ রিলিজের হপ্তায়, ‘ম্যাডোনায় মৃত্যুচিন্তা’ বাংলায় ঠিক ওই সময়টায় প্রিপেয়ার ও পাব্লিশ করার চিন্তা গানপার থেকে করা হয়। ফার্স্ট কিস্তিটা ছাপাবার পাক্কা দুইমাস পরে এই দীর্ঘ নিদাঘ অক্টোবরের পয়লা দিনে সেকেন্ড তথা লাস্ট/কনক্লুডিং পার্টটা সাইজ করে ওঠা গেল। ততদিনে ম্যাডোনার নয়া পুরানা মিলায়া আরও অনেক মিউজিকভিডিয়ো, কন্সার্ট লাইভ, ট্যুর ও এক্সট্রাভ্যাগ্যাঞ্জা লাফিয়ে লাফিয়ে দেখা হলো। শোনা হলো। সবই রিসেন্টলি রিলিজড অ্যালবামটির থিম্যাটিক কিছু কন্সার্ন ঘিরে দেখাশোনা। আর, বলা বাহুল্য, সমস্তই হলো হোয়াইটের সঙ্গে অ্যালাইনড এনগেইজড হয়ে। অ্যাজ অ্যা হৌল, এক্সপেরিয়েন্সটা ম্যাডোনা রিলেইটেড। সময় গেলে সেসব বলার মতো পোক্ত হবে। এক্ষণে অ্যাডাম হোয়াইটের লেখাটার প্রাসঙ্গিক বাংলায়ন শুধু।
কথা না বাড়ায়া আপাতত শুধু বলি, দীর্ঘকায় এই নিবন্ধের ফার্স্ট পার্টটা, ‘ম্যাডোনায় মৃত্যুচিন্তা ১’, আগে বা পরে একবার দেখে নেবেন। পয়লা ভূমিকায় আরও কয়েকটি চিকন দাগের কথা পাড়া আছে। অ্যাআইয়ের এরায় মূলানুগ অনুবাদের/ভাষান্তরের/তর্জমার কোনো অর্থ হয় না আর। ওইটা অ্যাআই মিশিনের একটি ক্লিকের খেলা মাত্র। বোধানূগ হবার যত কাছাকাছি নিয়া যাওয়া যায় একটা পাঠকৃত অক্ষরকর্ম, ততটাই তা মানুষের ব্যবহার্য হয়। এখন সবাই ফিচার রাইটিঙের নামে প্রবন্ধের নামে গবেষণার নামে গন্ধমাদন নিয়া হাজির হয় মিডিয়ায় মিডিয়ায়। বিশল্যকরণী চিনেজানে এমন বনস্পতিবিশারদ বঙ্গজঙ্গলেবিরল ও বিলুপ্তপ্রায়।
ম্যাডোনা সম্পর্কে চেনানো অথবা জানানো ধরনের কথাবার্তা ফাঁদতে দেশের হাবাগোবা টাইপের ডেইলি ওয়েবপোর্টালগুলা সারাদিন টোয়েন্টিফোর-ইন্টু-সেভেন নিয়োজিত রয়। নায়্যিভ ফিচার রাইটার ও অর্বাচীন অপরিপক্ববুদ্ধি ইনচার্জগুলা আছে সেখানে একটানা অ্যাআই মিশিন নিয়া নানাবিধ নক্লিপনায়, আরেকজনের লেখা আঁকা আর্টক্রেডিট মেরে দেয়ায়, এভাবে এদেশে অধুনা জ্ঞানচর্চা আর্টকালচার হয়। আদতে চৌর্যবৃত্তি, সম্মিলিত, সবেতন।
অন্যদিকে, অ্যাট লিস্ট পাঁচটা থটপ্রোভোকিং এনগেইজিং লেখা না-পড়ে একজন লেখক সম্পর্কে লেখার বাইরে চেনাজানার কারবার করবার মানে হয় না। কাজেই, অ্যাডাম হোয়াইট সম্পর্কে এখন গ্যুগল করব আমি? কী পাইসেন আপনারা আমারে, মদন?
ওকে। লেইট হচ্ছে। অ্যাডাম হোয়াইটের লেখাটার লাস্ট কিস্তি ইউটিউবে ম্যাডোনার ‘কনফেশন্স দুই’ অ্যালবাম ল্যুপে ছেড়ে পড়ি।—জিপিডেস্ক

ম্যাডোনায় মৃত্যুচিন্তা / ২ || অ্যাডাম হোয়াইট
অতি রিসেন্টলি ‘ইন্টার্ভিয়্যু’ ম্যাগাজিনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাডোনা বলেন, “আমি প্রচণ্ড ক্লান্ত,” এবং অনেকটা অযাচিতভাবেই স্বীকার করেন যে সেদিন তিনি নিজের জন্য বরাদ্দ ফিজিক্যাল এক্সার্সাইজটা সারতে পারেন নাই। “আমার হাঁটুতে এখন সমস্যা চলতেসে। দীর্ঘদিন ধরে উঁচু হিলের জুতা পরে নাচা আর ফুটপাতে দৌড়ানি এবং অষ্টাঙ্গ যোগ করার ফলে আমার হাঁটুতে একটাও তরুণাস্থি নাই। এই তো এক বছর আগেও আমি ট্রাম্পোলিনে লাফাতাম, ড্যান্সকার্ডিও করতাম এবং এমন অনেক কাজ করতাম যার কারণে আমার অস্থিসন্ধির উপর অতিরিক্ত চাপ গিয়েছে বলে থাকেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। অ্যানিওয়ে। এখন আর আগের মতো ওসব করতে পারি না।”
ম্যাডোনাকে এভাবে এই টোনে কথা বলতে শোনাটা ছিল অদ্ভুত অভিজ্ঞতা। তার দুইহাজারউনিশের অ্যালবাম ‘ম্যাডাম এক্স’-এর প্রচারণার সময় তিনি নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিক ভ্যানেসা গ্রিগোরিয়াডিসকে বার্ধক্য নিয়ে প্রশ্ন করার জন্য তিরস্কার করেছিলেন। প্রশ্নকারীকে ম্যাডোনা মুখের উপর বলেছিলেন, “আমার মনে হয় আপনি বুড়ো হওয়া নিয়া খুব বেশি ভাবেন। সবকিছু থইয়া মানুষের বয়স নিয়া আপনি বেশি বেশি ভাবেন। এইগুলা বন্ধ করেন।” পরে তিনি তার ইনস্টায় গ্রিগোরিয়াডিসের নিন্দা করে লেখেন, “দুঃখিত যে আমি তার লগে পাঁচমিনিট কাটিয়েছি। মনে হচ্ছে যেন ধর্ষিত হয়েছি।” কিন্তু কপাল ভালো যে গ্রিগোরিয়াডিস ম্যাডোনাকে মেনোপজ নিয়া প্রশ্ন করেন নাই, করলে ম্যাডোনা খাপ্পা হয়ে হয়তোবা তাকে গুলিই করে দিতেন।
যদি চিন্তা করে দেখেন তাইলে ম্যাডোনার এমন আত্মরক্ষামূলক মনোভাবের কারণগুলি ঠিকই বুঝতে পারবেন। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে দেশদুনিয়ার খবর প্রচারের মাধ্যমগুলি বিদ্বেষপূর্ণভাবে ম্যাডোনার চেহারায় বার্ধক্যের লক্ষণ খুঁজতে শুরু করে। এরপরে এসে যায় মিলেনিয়াম। দুইহাজার খ্রিস্টাব্দ। সহস্রাব্দ। গোটা এই দশকটায় মিডিয়াগুলা ম্যাডোনার চেহারায় ম্যাডোনার দেহের নানান জায়গায় বার্ধক্যের চিহ্ন লুকানোর জন্য কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজনের লক্ষণ খুঁজতে থাকে। এই মিডিয়াগুলির আচরণ থেকে সাধারণ মানুষ প্রভাবিত হয়েছে; এবং, শুধু ম্যাডোনা নয়, সাধারণভাবে সেলিব্রিটি সকলের বয়স নিয়ে আমাদের আলোচনার ধরন যা প্রায় অসভ্যতায় গড়ায় তা তৈয়ার করেছে। এক্ষেত্রে এমন যে, ম্যাডোনার বয়স উল্লেখ করা আদতে তাকে উপহাস করা। কিন্তু ম্যাডোনার বয়স—এবং তিনি যে শুরুর চেয়ে শেষের অনেক বেশি কাছাকাছি, এই ক্রমবর্ধমান উপলব্ধি—মিডিয়ার জন্যে এ এক হটকেইক; একদিকে যেমন তিনি পপ তারকাখ্যাতিকে সামলে চলেন, তেমনি অন্যদিকে এইটা তার সংগীতেও প্রতিফলিত হয়।

একদমই রিসেন্ট একটা ব্যাপার উল্লেখ করা যায়। ম্যাডোনার ২০২৩-২০২৪ সালের ‘সেলিব্রেশন’ ট্যুরটি ছিল এমন একজন তারকার জন্য অতীতের দিকে ফিরে তাকানোর এক বিরল প্রয়াস, যিনি একসময় বলেছিলেন যে রেডিয়োতে নিজের পুরনো গান শুনতে তিনি ঘৃণা করেন। এটি ছিল গানগুলোর মূল মিক্সে পরিপূর্ণ একটি স্মৃতিচারণমূলক আয়োজন, যার মধ্যে বেশ কতকটি তিনি বহু বছর ধরে পরিবেশন করেননি। এই আয়োজনের মাধ্যমে তিনি নিজের শর্তে নিজের উত্তরাধিকারকে যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত করেন। অন্য কেউ তার হয়ে এই কাজটি করুক, তা তিনি কখনোই পছন্দ করেননি—‘কনফেশন্স দুই’ রিলিজের সংলগ্ন সময়ে গ্রাহাম নর্টনের অনুষ্ঠানে কাইলি মিনোগ যখন তার প্রথম রেকর্ডের একটি ভিনাইল তার হাতে তুলে দেন, তখন ম্যাডোনার শীতল ও হাসিমুখহীন প্রতিক্রিয়াটিই তার প্রমাণ। রেকর্ডের প্রচ্ছদটি নিয়ে তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমাকে দেখে মনে হচ্ছে আমার মাথা ধরেছে।”
এছাড়াও ছিল তার (দুঃখজনকভাবে এখন বাতিল হয়ে যাওয়া) চলচ্চিত্র বায়োপিকটি, যা দেখে মনে হচ্ছিল তার গল্প এবং গত ৫০ বছরে শিল্প, সংগীত ও পপসংস্কৃতিতে তার সম্পৃক্ততার বিশাল পরিধিটাকে প্রেক্ষাপট দেওয়ার জন্যই এটি তৈরি করা হয়েছিল। মনে আছে, প্রথম অ্যালবাম রেকর্ড করার সময় তিনি বাস্কিয়ার সঙ্গে প্রেম করতেন? হঠাৎ করেই, ম্যাডোনাকে দেখে মনে হচ্ছে তিনি কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন তা মানুষ জানুক, যেন তিনি আর আত্মবিশ্বাসী নন যে আমরা নিজেরাই তাকে যথাযথভাবে স্মরণীয় করে রাখতে পারব।
‘কনফেশন্স দুই’ অ্যালবামের অসংখ্য গানে তার শুরুর দিনগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে, কিন্তু তা সানন্দ নয়, তাতে বিষাদের ছোঁয়া রয়েছে। অ্যালবামের অন্যতম সেরা ও ফাঙ্কি গান ‘ড্যান্সেটেরিয়া’-র নাম রাখা হয়েছে ম্যাডোনার নিউইয়র্কের প্রথম দিকের একটি আড্ডাস্থলের নামে—ম্যানহাটনের ওয়েস্ট-২১ স্ট্রিটের একটি ক্লাব, যেখানে তিনি পার্টি করতেন, নিজেকে খুঁজে পেয়েছিলেন এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে তার ডেমো টেপ বিক্রি করতেন। এটি একটি শ্বাসরুদ্ধকর ও জঞ্জালপূর্ণ গান, যেখানে ‘ভোগ’ গানের সেই বিখ্যাত র্যাপ-করা মধ্যবর্তী অংশের ঢঙে বাস্কিয়া, কিথ হ্যারিং এবং ডেভিড বার্নের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আশির দশকের শুরুর দিকের নিউইয়র্কে তরুণ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়ার অকৃত্রিম স্বাধীনতাকে উদযাপন করা হয়েছে। অ্যালবামের শেষ গান, বিষণ্ণ ‘এলইএস গার্ল’, তার জীবন ঠিকমতো শুরু হওয়ার উত্তেজনার মাঝে প্রায় একই সময়ের একটি ব্যর্থ প্রেমের কথা স্মরণ করে। “লোয়ার ইস্ট সাইডের মেয়ে / এক ভঙ্গুর পৃথিবীতে হারিয়ে গেছি” এই কিসিমের কথাগুলি।

কিন্তু এই লিরিকের গল্পগুলা ম্যাডোনার বর্তমান কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। “আই ফিল সো ফ্রি” এবং “গুড ফর দ্য সোল”-এর মতো গানে তিনি গর্ব করে বলেন, ড্যান্সফ্লোরে তিনি এখনও পরমানন্দ খুঁজে পান; কিন্তু এই পরমানন্দপ্রাপ্তির কারণ, এর বাইরে তিনি নিঃসঙ্গ, ভীত এবং সবকিছুর চূড়ান্ত পরিণতিতে বিচলিত। “মানুষকে বিশ্বাস করা আমার জন্য সত্যিই কঠিন / তুমি কি আমাকে দোষ দিতে পারো?…এজন্যই আমি নাচতে ভালোবাসি।” তার বড় মেয়ে লর্ডেসের সাথে ‘দ্য টেস্ট’ নামে একটা মর্মস্পর্শী ডুয়েট গানে তিনি গেয়েছেন, তার মাত্রাতিরিক্ত খ্যাতি তার সন্তানদের কতটা প্রভাবিত করবে তা তিনি আগে বুঝতে পারেননি। “মাঝে মাঝে আমার মনে হয় তুমি চাও আমি চলে যাই,” তিনি স্বীকার করেন। আর তার ভাই ক্রিস্টোফারের মৃত্যুতে অনুপ্রাণিত ‘ফ্র্যাজাইল’ গানের শুরুতে তিনি একটি বিষণ্ণ কথনভূমিকার মাধ্যমে বলেন, “শক্তি কখনও মরে না / এটা কেবল একটা প্রবেশদুয়ার যার মধ্য দিয়া আমরা যাচ্ছি / তবুও, যেতে দেওয়া কঠিন।”
আমার মনে হয় না এটা কোনো কাকতালীয় ঘটনা যে, গেল কয়েক দশকে ম্যাডোনার সেরা কাজটিই হলো ঠিক ততটা সময়ের মধ্যে তার প্রথম কাজ, যা তার নিজের মরণশীলতার সাথে যথাযথভাবে লড়াই করে। যখন আপনি একদল আইকনের মধ্যে শেষ জীবিত ব্যক্তি হন, এবং তাদের সবার মৃত্যুর অনেক পরেও নতুন গান তৈরি করতে থাকেন, তখন স্পটলাইটের নিচে থেকে একজন কীভাবে বয়স বাড়াতে পারে, তার ভিত্তি স্থাপন করার দায়িত্বও আপনার উপর এসে পড়ে। এর কোনো পূর্বনির্ধারিত ছক ছিল না, ঠিক যেমন ম্যাডোনার আগে একজন উজ্জ্বল, আবেদনময়ী, প্রচলিত ধারা ভাঙা পপদেবী হওয়ারও কোনো ছক ছিল না।
বছরের পর বছর ধরে—বা অন্তত, ২০০৮ সালের ‘হার্ড ক্যান্ডি’ থেকে ‘ম্যাডাম এক্স’ পর্যন্ত তার হিট ও ফ্লপ অ্যালবামগুলোর কালসীমায়—ম্যাডোনা তার অবিচলতার উপরই নির্ভর করেছেন, বয়স, ভঙ্গুরতা বা শেষ পরিণতি নিয়ে আলোচনাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন বা নিতান্ত হাল্কাভাবে গ্রহণ করেছেন। কিন্তু কালেরই পরিক্রমায় ম্যাডোনা আকর্ষণীয় ফিচার ধরে রাখা সত্ত্বেও দুর্বল হয়ে পড়েছেন। তার শারীরিক শক্তি আগের মতো নেই, বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত নারী হওয়ার আগে যারা তাকে চিনতেন এবং নিঃশর্তভাবে ভালোবাসতেন, সেই মানুষগুলোর সংখ্যাও কমে আসছে; এবং সর্বোপরি নিজের মায়ের মৃত্যুর মতো মর্মান্তিক ঘটনা—যখন ম্যাডোনার বয়স মাত্র পাঁচ বছর, তখন ক্যান্সারে তার মৃত্যু হয়—এখন তার জীবনে আসা একই ধরনের আরও অনেক হৃদয়বিদারক ঘটনা, যা তাকে ক্ষতবিক্ষত করেছে।

এই নতুন ম্যাডোনাকে আমার ভালো লাগছে। আমার ভালো লাগছে যে তাকে আগের চেয়ে অনেক বেশি মানবিক মনে হচ্ছে। এবং আমার এটাও ভালো লাগছে যে, তিনি এমন ভান না করে বরং আমাদেরকে অবশ্যম্ভাবীর জন্য প্রস্তুত করছেন, যেন এটা কখনোই ঘটবে না—মৃত্যু আমাদের সবার জন্যই আসে, আমরা কোথাও কোনো বৃদ্ধাশ্রমে আরামে থাকি বা সরাসরি টেলিভিশনে উজ্জ্বল গোলাপি কর্সেট আর ফিশনেট স্টকিংস পরে ঘুরে বেড়াই। তাহলে, হাতে সময় থাকতে ডান্সফ্লোরে গিয়ে একটু নেচে নিলে ক্ষতি কী?
‘কনফেশন্স দুই’ রিলিজ হয়েছে। অ্যাভ্যাইল্যাবল রয়েছে। অ্যাক্সেস করা যায় নানান জায়গায়। অ্যালবামটা ম্যাডোনার ভক্ত ও সমালোচক সকলেই নিশ্চয় শুনবেন।
ম্যাডোনায় মৃত্যুচিন্তা পার্ট ওয়ান ও পার্ট টু
গানপারে ম্যাডোনা
- গ্রহান্তরের মানুষ || সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় - October 14, 2026
- নানা || সজীব তানভীর - October 9, 2026
- লোককবি জালাল উদ্দিন খাঁ ও তাঁর গানের হকিকত || আল-আমিন সালমান - October 7, 2026

COMMENTS