হলিউডি সিনেফিলোসোফি দিয়া ঢালিউডি বিবেচনা || ইলিয়াস কমল

হলিউডি সিনেফিলোসোফি দিয়া ঢালিউডি বিবেচনা || ইলিয়াস কমল

সিনেমাপ্রিয় ভাইব্রাদারেরা, মার্কিন সিনেমাফিলোসোফিটা মাথা থেকে ঝাড়েন। যতক্ষণ না মাথা থেকে হলিউডের প্রভাব যাইতেছে, ততক্ষণ সিনেমা নিয়ে যত বিশ্লেষণই করবেন সেইটা হাফমার্কই। সিনেমার নন্দনতত্ত্বে হলিউডি ফিলোসোফির ভূমিকা পৃথিবীতে হাতে গোনা। আর জাজমেন্টের জায়গা থেকে যদি বিচার করতে চান তাহলে হয় জনগণের কাতারে নামতে হয়, নয় শিল্পের দৌড়ে। মাঝখান থেকে মার্কিন কলোনিয়াল শিল্পচিন্তার সিনেমাপার্সপেক্টিভে আপনার-আমার বিবেচনা সবসময়ই মেকি ও হাস্যকর হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশের সিনেমার স্বতন্ত্র রূপ যদি আপনি ধরেন, তাহলে নিশ্চয়ই বেদের মেয়ে জোসনাই সবার আগে আসবে বলে মনে করি; যেইটা গণমানুষের সিনেমার কাতার থেকে সেরা হিসেবে। কিন্তু আপনার-আমার ভেতরে যে কলোনিয়াল দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সিনেমারে দেখি তাতে দেখেন একেকজন একেকটা সিনেমার কথা উল্লেখ করব। কিন্তু একটা মজার বিষয় কি জানেন? মার্কিন যে ফিলোসোফিটারে আমরা আইডেন্টিটি হিসেবে ধরি, সেইটা কিন্তু তার দেশের জনগণের কাতারের বা গণমানুষের সিনেমাই।

সুতরাং নিজের স্বতন্ত্র শিল্পচিন্তা দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। আর সেই বিবেচনাটাও যেন কলোনিয়াল না হয়। একটা উদাহরণ দেই। সাম্প্রতিক সময়ের তুফান  সিনেমাটা বানানো হইছে মূলত শাকিব খানের সিনেমার দর্শকদের ওটিটিতে নিয়ে আসার জন্য। আর এই সিনেমার সমালোচক হয়ে উঠছি মধ্যবিত্ত কলোনিয়াল মানসিকতার ইন্টেলকচুয়ালরা। অথচ তাদের জন্য যে সিনেমা বানায় দেশের নির্মাতারা, সেগুলো অধিকাংশই তারা দেখে না।


ইলিয়াস কমল রচনারাশি
গানপারে ম্যুভিরিভিয়্যু

Support us with a click. Your click helps our cause. Thank you!

COMMENTS

error: You are not allowed to copy text, Thank you