এমন দুঃসময় আমারও হামেশা আসে যখন কিনা আমি একটা স্ক্রিপ্টের দিকে ফ্যালফ্যাল তাকায়া থাকি আর বলি, কি করব এই চিত্রনাট্য নিয়া আল্লা মালুম। বলি ঠিকই, কিন্তু পরক্ষণে ঠেলেঠুলে নিজেরে সিধা করে নিই, প্রিপেয়ার করি কাজের জন্য, কেননা স্ক্রিপ্ট হাতে এই ভীতি এই কিংকর্তব্যবিমূঢ়তাও অভিনয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
দুনিয়ায় বিচিত্র খানাখাদ্যের এই ভাঁড়ারে আমার সবচেয়ে প্রিয় ব্রেকফাস্ট একটাই, আর তা হচ্ছে ময়দার বানের লগে স্যস্ ইত্যাদি মিশাইয়া ল্যাপ্টাইনা ডিমপোচ।
আমি সবসময় মাটিবর্তী থাকি, জিনিশটা আমার মনে হয় একদম ছোটবেলা থেকেই শিখে এসেছি।
আমার মায়ের দিককার নানু-নানি ছিলেন অভিনয়শিল্পী। তারা দুইজনে মিলিয়া একটা থিয়েটারগ্রুপ চালাইতেন। রিডিং রেপের্টোরি থিয়েটার কোম্প্যানি ছিল সেই গ্রুপের নাম। গোটা শহর জুড়ে এই গ্রুপ অভিনয় করে বেড়াত। ওইখান থেকেই উঠে এসেছি আমি।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আত্মবিশ্বাসটাও বাড়ে। এই জিনিশটা আবিষ্কার করে আমি রীতিমতো অবাক হয়েছি।
চয়ন, সংকলন ও অনুবাদন : বিদিতা গোমেজ
… …
- মানুষ ও যন্ত্রের ভবিষ্যৎ || আহমদ সায়েম - May 29, 2026
- আবের পাঙ্খা লৈয়া যাপিত সময়গুলি || রতন দেব - May 23, 2026
- কবিতা ও কবি ইন জাপান || জাকির জাফরান - May 21, 2026

COMMENTS