আমার কাজ হচ্ছে অভিনয় করা। তার মানে এইটা না যে নিজেকে দেহমনে-সমর্পিত অভিনেতাই মনে করব সারাক্ষণ।
মাতৃত্ব জিনিশটা আমার মধ্যে এসে একদম বদলে দিয়েছে আমারে। এইটা খুবই ভিতরের মৌলিক একটা ব্যাপার মানুষের যে একটা মানুষ পরিচর্যা পাবে। এবং আপনে সেইটা করতে সমর্থও তা যেভাবেই হোক যত মূল্য দিতে হয় দিয়েও।
ক্যারিয়ারের লগে কখনোই আমার ফ্যামিলি রেস্পোন্সেবিলিটিগুলা কনফ্লিক্ট করে না। আসলেই দুইয়ের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব হয় না।
অ্যানেস্থেইশিয়া জিনিশটা হচ্ছে মডার্ন লাইফে বেঁচে থাকবার সবচেয়ে বড় সহায়।
এই-যে গুচ্ছের ছবি হচ্ছে হররোজ, আইজ থিকা পাঁচ বচ্ছর বাদে এইগুলা কে মনে রাখবে? কে কয়টার নাম বলতে পারবে? সেইটাই টিকবে যেইটা ভালো।
হাইহিল পায়ে দিলেই দেখেছি আমি অনেক বেশি সপ্রতিভ হয়ে উঠি। শব্দচয়ন খুব প্রমিত থাকে তখন, আর কথাও বলি পাক্কা প্যারাগ্র্যাফে। মানে, কোনো তোতলানি বা আমতাআমতা নাই, পুরা বাগ্মী। চিন্তা করছি হিল পরা শুরু করব মোটামুটি নিয়মিত।
চয়ন, সংকলন ও অনুবাদন : বিদিতা গোমেজ
… …
- মানুষ ও যন্ত্রের ভবিষ্যৎ || আহমদ সায়েম - May 29, 2026
- আবের পাঙ্খা লৈয়া যাপিত সময়গুলি || রতন দেব - May 23, 2026
- কবিতা ও কবি ইন জাপান || জাকির জাফরান - May 21, 2026

COMMENTS