অভিনয়শিল্পীরা যখন সংলাপ মুখস্থ করে সেটে হাজির হন তখনই তাদের কাছ থেকে সৎ ও সেরা কাজটা আমরা পাই। ভীষণ জরুরি এই সোজা কথাটাই বেশিরভাগ শিল্পীদেরে ভুলে যেতে দেখা যায়। সংলাপ আগে থেকে মেমোরাইজ করে সেটে এলে একটা ব্যাপার হয় যে অ্যাক্টর যেই দৃশ্যটা ফুটাইতে চাইছেন সেইটা সম্পর্কে একটা ধারণা তার ভিতরে থাকে; এরপরে একবার যখন দৃশ্যায়নে অ্যাক্ট করা শুরু হয় তখন বিষয়টা অ্যাডভ্যান্সড একটা লেভেলে উত্তীর্ণ হয়। আগে থেকে নিয়া আসা ধারণা জানালা দিয়া পালালেও তখন আগের করা ধারণার সঙ্গে যুক্ত হয় সেটের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত। পুরা ব্যাপারটা ভাবনার বাইরে একটা অ্যাডেড ভ্যালু পায় তখন।
বয়ঃসন্ধি কিংবা আমরা যেইটারে বলি উঠতি বয়স, সেই বয়সের জন্য রিয়্যালিস্টিক ম্যুভি নির্মাণ আজকাল হয় একেবারেই কড়ে-গোনা।
প্রিয় ম্যুভি বলতে সেইগুলারেই বুঝি যেইগুলা আমারে একভাবে-না-আরভাবে সংক্রামিত করে। ব্যাপার যা-ই হোক হাসির বা কান্নার, আমি চাই ম্যুভি দেখার সময়টায় অ্যাফেক্টেড হতে।
মাধ্যমিকে পড়ার সময় অ্যালকোহল নিয়া মাতামাতি ছিল বড় একটা ব্যাপার। আমিও এর থেকে ব্যতিক্রম নই, আমিও ছোটখাটো একটা মাতামাতি পারায়ে এসেছি ইশকুলবয়সে অ্যালকোহল পানোন্মাদনা নিয়ে। এমন একটা মাধ্যমিক শিক্ষার্থীও আমার জানামতে বের করা মুশকিল হবে যে এই ফেইজ পার হয়া আসে নাই।
তর্কাতর্কি পছন্দ করি আমি। কথাটা আমি প্রায়ই বলি যে শারীরিক মাইরধইরে আমি জিততে পারব না, বাট মানসিক মাইরধইরে আমারে কেউ হারাইতে পারবে না। তার মানে এইটা না যে সত্যি সত্যি জিতে যাব, কেননা আমি ওই অর্থে কারোর লগে তর্কাতর্কিতে যাইতেই চাই না।
চয়ন, সংকলন ও অনুবাদন : বিদিতা গোমেজ

COMMENTS