ওস্তাদ রশীদ খান মারা গেলেন।
আমি মোটেও সংগীতজ্ঞ নই। কিন্তু শুনতে ভালো লাগার পরিধিতে সবই থাকে বলেই ক্লাসিক বা উচ্চাঙ্গও অল্পস্বল্প শুনতাম।
এই যে শীতটা যাইতেছে, শহরে কোনও উৎসব নাই। অথচ পৃথিবীতে ভাষাকেন্দ্রিক রাষ্ট্র তৈরিই হইছে একটা, সেইটাও এতটা ভাষা বা সংস্কৃতি কেন্দ্রিক হইতে পারলো না। রশীদ খানের মতো পণ্ডিতরা এত বিশাল দর্শকের সামনে উন্মুক্ত ময়দানে যে-পারফর্মটা করতো ঢাকায় সেটাও এখন বিস্মৃত।
এমন পণ্ডিত শিল্পীরা মরে যাবে একে একে খুবই স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু ঠিক উল্টো অস্বাভাবিক বিষয় হচ্ছে এই শহরটাও সংস্কৃতির শহর হইতেছে না। কী নিদারুণ করুণ একটা সাংস্কৃতিক দুনিয়ায় বাস করতেছি আমরা! বেঙ্গলের সবগুলো আসরেই যাওয়া হইতো। আর প্রতিবার আমরা ভাবতাম, সামনেরবার বোধহয় আর এই (বয়সী যারা আসতেন) পণ্ডিতকে পাবো না। কিন্তু পণ্ডিতদের হারানোর আগে উৎসবটাই হারিয়ে ফেলেছি আমরা!
ওস্তাদ রশীদ খানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা।
- মানুষ ও যন্ত্রের ভবিষ্যৎ || আহমদ সায়েম - May 29, 2026
- আবের পাঙ্খা লৈয়া যাপিত সময়গুলি || রতন দেব - May 23, 2026
- কবিতা ও কবি ইন জাপান || জাকির জাফরান - May 21, 2026

COMMENTS