এটা বললে বোধহয় অত্যুক্তি হবে না যে, ফ্যাক্টচেকাররা বাংলাদেশের অনলাইন সাংবাদিকতায় খানিকটা হলেও প্যারাডাইম শিফট ঘটিয়ে দিয়েছে। ক্লিকবেইট কালচার থেকে ধীরে ধীরে পিছু হটছে ফেসবুকনির্ভর পোর্টালগুলো, এবং তাতে উপকার হচ্ছে সৎ সাংবাদিকতার এবং তথ্যসন্ধানী মানুষের।
২.
ফ্যাক্টওয়াচ খুব নীরবে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আমাদের এই তরুণ তুর্কীদের জন্য আমি খুব গর্ব অনুভব করি। একদিকে তারা ফ্যাক্টচেক করছে, অন্যদিকে মানসম্মত জর্নালের জন্য গবেষণা নিবন্ধ লিখছে, আবার নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সাংবাদিক, গবেষক, ছাত্র এবং আমজনতাকে।
শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক নয় এই তৎপরতা। ফ্যাক্টওয়াচের সারথী শুভাশীষ দীপ, সুবর্ণরেখা দোলন আর আরাফাত হোসেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ফ্যাক্টচেকিঙের বার্তা পৌঁছে দেয়ার কাজটি করছে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে। এবার তারা কর্মশালা করেছে রংপুর আর শরিয়তপুর অঞ্চলের মাদ্রাসাছাত্রীদের নিয়ে।
৩.
এশিয়ার বাঘা বাঘা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইউল্যাবের নাম ঘোষিত হচ্ছে টাইমস হায়ার এডুকেশনের মর্যাদাপূর্ণ অ্যাওয়ার্ডস এশিয়া ২০২৩ পুরস্কারের মঞ্চে। টাইমস হায়ার এডুকেশন পুরস্কারকে ‘এডুকেশনের অস্কার’ বলা হয়। আমাদের ফ্যাক্টওয়াচ এবার মনোনয়ন পেয়েছিল একটা ক্যাটাগরিতে। শেষমেশ পুরস্কার পাওয়া হলো না। মালয়েশিয়ার টেইলর্স ইউনিভার্সিটি পেলো। কিন্তু টাইমস হায়ার এডুকেশনের মঞ্চে নাম উঠে আসলো একটা বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের।
অভিনন্দন ফ্যাক্টওয়াচ টিম, আমাদের এতদূর পর্যন্ত নিয়ে আসার জন্য!

COMMENTS