বিভাগ: গদ্য
গদ্য হলো মানুষের কথ্য ভাষার লেখ্যরূপ। এর বিপরীত হলো পদ্য বা কাব্য। গদ্যের প্রাথমিক ব্যবহার চিঠিপত্র লেখায়, দলিল-দস্তাবেজ প্রণয়নে এবং ধর্মীয় গ্রন্থাদি রচনায়। বাংলা পদ্যের ইতিহাস শুরু হয়েছে চর্যাপদ থেকে;

বেগম খালেদা জিয়া : বাংলাদেশের এক অটল ও অনমনীয় মুখ || হাসান শাহরিয়ার
তিস্তাপাড়ের জলপাইগুড়ি যেইখানে বনভূমির ছায়ার সাথে বৃষ্টির হারমোনি। সহযায়ী রোদ ও নদীর প্রাগৈতিহাসিক মোহে—সেইখানে প্রকৃতি যেন এক পুতুলের ঘর। ইতিহাসের অনু...

বিদায়বেহাগ
বিদায় কিছু না
মাটির পুষ্পকে মাটিতেই রাখা।
বিউটিফুলরা বীজ হয়ে এসে
বৃক্ষ হয়ে ভাসে।
দেশ, দেশের জনতা, পাখি ও প্রকৃতি
ছায়া নেয়, ফল নেয়, দোয়া নেয়।
...

ভূমিকম্প হয়ে যাওয়ার পরে এক পুরানঢাকার বাসিন্দা || শিবু কুমার শীল
ভূমিকম্প হয়ে যাওয়ার পর পুরান ঢাকার বাসিন্দা হিসেবে এক্সট্রা সিম্প্যাথি পাচ্ছি। সবাই খবর নিচ্ছেন আমাদের পুরাতন দালানগুলো ঠিকমতো দাঁড়িয়ে আছে কি না। আমরা...

শাহজালাল শাহপরান গ্রামবাঙলায় গাজির গান || তুহিন কান্তি দাস
ছোটবেলায় বাড়ির উঠানে বসে শুনতাম হযরত শাহজালাল আউলিয়ার সিলেট বিজয়ের কীর্তি৷ গ্রামের বাড়ির উঠানে একটা টেবিলে টেপ রেকর্ডারে ফিতার ক্যাসেট বাজিয়ে চারপাশে ...

নভেম্বর মনামর
ইন্ট্রো
নোটন নোটন নভেম্বরগুলো
জোটন বেঁধেছে
গান্স অ্যান্ড রোজেসের গান
শুরুতে বেজেছে
একটা বাপের ব্যাটার মতো
তুমুল গিটারসোলো
সঙ্গে ড্রামিং রিদম ...

আমাদের গ্রামের নাম আমাদের নদীর || কাজল দাস
এই জনপদের দুইটা জিনিসই সুন্দর ছিল। এই দুটিই আমরা হারিয়ে ফেলেছি। একটি হলো নদী আর আরেকটি হলো গ্রাম। এই জনপদ তার সবচেয়ে অমূল্য দুইটি সম্পদ হারিয়ে ফেলছে। ...

নৃপতি নিরো ও নগরভস্ম
রোমান সভ্যতা সম্পর্কে গড়পরতা বাঙালি যথেষ্ট তথ্যাভিজ্ঞ সন্দেহ নাই। ইশকুললাইফ থেকেই বাঙালির ভেতর রোমপ্রেম ও রোম্যান্স গ্রো করতে দেখা যাবে সেকেলে ক্যাচমা...

সাহিত্য বিষয়ক প্রস্তাব || সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
সাহিত্যের ইতিহাসে এক-একটা সময় আসে, যখন নতুন সাহিত্যভাষার প্রয়োজন হয়। ইউরোপে এই প্রয়োজন এসেছিল ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্য সময়ে, তখনই সিম্বলিস্ট আন্দোলনের ...

একাত্তরে যে জন্মায় নাই একাত্তর নিয়া তার মেমোয়ার
একাত্তরের পর জন্মেছে এমন কেউ যদি ‘স্মৃতি একাত্তর’ টাইটেলের আন্ডারে ছবি আঁকে, পেইন্টিং করে, ক্যানভ্যাসে পেন্সিলেপেপারে, এচিং এনগ্রেইভিং স্কাল্পটিং করে,...

রিক্যুয়েম ফর রূপক
বিরহে বিনত দিন বহি’ যায় ধীরে
বুঝি সে বসিয়া আছে অশ্রুনদীতীরে
যেয়ে ফের আসে ফিরে ঢেউ-পরে-ঢেউ
তরী শূন্য ভেসে যায় নাহি ওঠে কেউ
কারো তবু কাঁপি’ ওঠে ...










