ভাবি কী আর হয় কী! ভাবতে পারি নাই লেখক ফয়জুল ইসলামের হাতে এই বই কোনোদিনই আর পৌঁছাতে পারব না। উফ! কত অসহায় এই অবস্থা! কতই-না মর্মবিদারক! উনি জানতে পর্যন্ত চান নাই কেন বা কোথায় ছাপানোর জন্য গল্প চাইছি। কতটা আস্থাভাজন হলে এ-রকম অন্ধত্ব পাওয়া যায়? পরে অবশ্য জেনেছিলেন লেখক মনি হায়দারের সঙ্গে যোগাযোগের সূত্র ধরে।
বাংলা একাডেমি থেকে ‘বাংলাদেশের গল্প নব্বইয়ের দশক’-এর দ্বিতীয় মুদ্রণ এবং দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হলো। নতুন করে চারজন লেখককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এঁরা হলেন ফয়জুল ইসলাম, আনোয়ার শাহাদাত, মানস চৌধুরী ও জিয়া হাশান।
হয়তো অলখে রয়ে গেল আরও অনেক উত্তম লেখক। আমি তাদের নাম-সাকিন জানি না বলে সম্পাদনার সমস্ত ব্যর্থতার দায়ভার নিজের কাঁধেই রাখছি। নতুন করে যারা যুক্ত হলেন তাদের গল্পগুলি মন জুগানিয়া ও জাগানিয়া। গ্রন্থভুক্ত কথাসাহিত্যিকদের লেখককপি হাতে তুলে দিবেন মনি হায়দার।
বাংলা একাডেমির সেলস সেন্টার থেকে সুলভ মূল্যে বইটি পাঠক পেয়ে যাবেন। যারা ৩০টি গল্প এক-মলাটে পড়তে চান, তাদের জন্য অগ্রিম ঈদ মুবারক।
—পাপড়ি রহমান ২১ মার্চ ২০২৫
- ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ০৬ || পাপড়ি রহমান - May 29, 2026
- ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ০৫ || পাপড়ি রহমান - May 22, 2026
- ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ০৪ || পাপড়ি রহমান - May 15, 2026

COMMENTS