রি রি রাই
আমার দুঃখের কপাল
কেবল অতিক্রম করা, পার করা
সবকিছুই ইনকমপ্লিট—মুখ কুঁচকে নেয়
বেদনার দাম্পত্য বেয়ে নামে
তোমার সংসারকে আড়ি
দু’টি ঝুমকোজবা বৃষ্টিতে হাসতে আছে
এইসব নিয়ে কবিতা আমি লিখতে চাই
আরো কিছুক্ষণ, না-হয় তারপরে মুছে যেও
স্মৃতিমেদুর বাগান পুষি
অনেক অনেক ভুল ভেসে আসে
সেই ভুলের অশ্রু
সমুদ্র, তোমার গায়ে লেগে আছে কী?
পতঙ্গের মন্দিরা তলে
ছোটবেলায় বাবার সাথে ঘুরতে গিয়ে
ভাওয়াল মির্জাপুর বাজারে
আমি একটা একতলা কাঠের বাড়ি দেখতে পাই
সেই কতদিন আগের কথা
একটা বাড়ির চেহারা—
যে আওতায় এতটা সুন্দর
দুপুর আড়াইটায় কয়েকটা কাক নেমে এল
এরা মফস্বলাগত কাক
ভণিতার দুপুরে সুপ্ত কথাগুলোর ভিতরে
লিচুর ফুলগুলো এগুলো জ্যামিতিময়
আঁকা হচ্ছে—তাতে তৃতীয় দফার রঙ
হলুদ হয়ে উঠলো!
শুক্রবার-এর অর্থ হলো যে
শুক্রবার দিন আসলে
ভিতরে পুরে রাখা যায় না
মনে করে বিকেলে একটু রিকশা নিয়ে ঘুরি
অন্তর্গত মানুষকে খুঁজি
পাখিদের অন্তরঙ্গ কাছে
দৃষ্টিতে ফুটে থাকে যে হত্যা, তাকে দেখি
আমি জড়িয়েছি দূর থেকেই—কাছে যেতে গিয়ে
বুকের শক্ত গঠন
পৃথিবীর গতি থেকে কিছুটা ক্লান্তি নিয়ে
শুক্রবারে, মনে হয় সবচেয়ে বেশি অ্যাম্বুলেন্স
শহরে অহেতুক বেদনা নিয়ে আসে!
বিস্মৃতির পরিভাষা
মেঘের বিন্যাসে বইছে কী হাওয়া?
দূর থেকে দেখেছিলাম—পাহাড়ের পাদদেশে
অপস্রিয়মাণ ইশরাক
আকাশমণি গাছের উপর চাঁদ একটা ফুলের মতো জীবন্ত ও কোমল
এইসব কে দেখতেছে?
তাদের উৎসবে আমরা গল্প করতেছিলাম—
কীভাবে হারিয়ে যায় মিথোলজি
যেন রাত্রি পাহাড়ের গায়ে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে
আমাদের পথের দু’পাশে
রাত্রিকালীন গাছেদের আচরণ
দৌড়ে এসে একসাথে ঢুকে পড়লো চোখে
খানিক ঝক্কি ছিল বৈকি!
মনোটনি
যেনবা তোমার দিকে দৃষ্টি রেখে
খুন করছি আমায়!
যেনবা আমি মানুষ হয়ে উঠতে গিয়ে
পশুকেও অতিক্রম করে ফেলছি
ভেঙে পড়ছে আমার বুকে
দৃশ্য-প্রপঞ্চ—পরিস্থিতি
বিস্মৃতির পরিভাষা ও অন্যান্য ।। শুভ্র সরকার ।। এপ্রিল ২০২৬ গানপার

COMMENTS