রবিন স্মরণ, রবিন বরণ

রবিন স্মরণ, রবিন বরণ

কবিতা কী, কাকে বলে কবিতা, আমি জানি না। একশ একাশি পাতা খর্চে শেষে বের-করা কবিতার সংজ্ঞা : কবিতা অমীমাংসিত; না, ও-রকম দূরদর্শা তাত্ত্বিক আমি না; আমি নই ক্রিটিক ওইধারা সাহিত্য অথবা সাধের কবিতার; পয়লা লাইনেই বলিয়া দিলাম তাই : কবিতা কী, কাকে বলে কবিতা, আমি জানি না।

সাচমুচ বলছি, কবিতা কী, আমি জানি না। কাকে বলে কবিতা, আমি জানি না। ‘জানি না জানি না কেন এমন(ও) হয়’ … কেন কবিতা লইয়া লোকে কেবল ঘোলা জলের ন্যায় ঘুরিয়া ঘুরিয়া ভানপূর্ণ তত্বকথা কয় … জানি না, রিয়্যালি, এসবের হারাম আমি কিচ্ছুটি জানি না। বাজারে বেশকিছু বইপত্তর অবশ্যি পাওয়া যায় — সন্দর্ভসদৃশ কিছু, অথবা মারকাটারি সিনেমার ন্যায় বেশকিছু দ্বন্দ্বসংঘাতঋদ্ধ — সেসবের কোনো-কোনোটিতে পেয়ে যেতে পারে কেউ-বা তার পছন্দমতো জবাব। অমন দুয়েকখানা আমিও পড়ে দেখেছি, অনুসন্ধিৎসার সার্চলাইট ফেলে খুঁজেছি তন্নতন্ন হোথা, পাইনিকো সদুত্তর। যারা পায়, পেয়ে যায় যারা, তারা ভাগ্যবান। পায় না যারা, তাহারা অতীব দুর্ভাগা। আমি পাইনি। হায়!

কারে কয় কবিতা, সাড়া পাবার আশায় দ্বারস্থ হই বিভিন্ন বইপত্রবাহিত জ্ঞানরাজ্যের, বইপত্রে না-পেয়ে নিজের ভেতরে হামাগুড়ি দিয়ে বহু ক্লেশ সয়ে ঢুকে জিগ্যেশ করেছি নিজেরে নিরালায়, মেলেনি উত্তর। বেশিরভাগ জবাবের সারমর্মকথা ওই জীবনানন্দের বহুলাবৃত্ত আপ্তবাক্যের অনুরণন, ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে অ্যাঙ্গেলগুলো বদলে কেবল, কথা তো অভিন্ন, ‘কবিতা অনেকরকম’। ওটা আমার উত্তর তো নয়, নিশ্চয়, একান্তই জীবনানন্দের বিবেচনা ওটা।

তা, যা-হোক, কবিতাব্যাপারে প্রত্যেকেরই দরকার নিজের একটা বিবেচনা থাকা। পাঠক মাত্রেই কবিতা থেকে কবিতান্তরে নিজের সংজ্ঞাটা খুঁজে ফেরে। এই এক কাণ্ড, সংজ্ঞাতালাশ, দুনিয়ার সবকিছুই কিছু-একটা নামে চেনাজানাজানির ব্যাপারটা প্রাথমিক ধাপ সংজ্ঞায়নের। সংজ্ঞাহীন মুহূর্তও রইতে চায় না কেউ। মনুষ্যজন্মের এ-ই বিউটি কিংবা কার্স, সংজ্ঞাসার্চ, মুহূর্মুহূ সংজ্ঞা নবায়ন করে যাওয়া, সংজ্ঞাটা কবিতার অথবা ছদ্মবেশে খোদ জীবনেরই। কিছু-না-কিছু খুঁজে চলা মানবজন্মের প্রতিমৌহূর্তিক শাপ অথবা বর, তা যে-যা-ই বলুন, আপনার সার্চ ব্যাহত হলো মানেই রঙের ফানুশ ফুশ্। কাজেই ক্রিটিক্যাল হোক অথবা ম্যাজিক্যাল, প্রত্যেকেরই থাকা উচিত যার যার মতো করে একটা জীবন অথবা কবিতানৈতিক স্বকীয় বিবেচনা।

তাছাড়া, ‘কবিতা অনেকরকম’ কথাটা আদৌ কবিতার সংজ্ঞা তো নয়, সংজ্ঞা-ভুলিয়ে-দেয়া কথার মারপ্যাঁচ। প্রত্যেকেরই যার যার আলাদা মারপ্যাঁচ থাকা বাঞ্ছনীয়। এ-ই তো কবিতা তথা সাহিত্যের, মতান্তরে সামগ্র্য জীবনের, সুন্দরের দিক। বৈচিত্র্য সমারোহে আবাহন ও যথাসাধ্য সর্বায়তনিক বৈচিত্র্যানুভবের উদ্বোধন। পুঁচকে ও পাণ্ডায় মিলে কেবল উচ্ছ্বাস, অথবা খাইয়া-না-খাইয়া খালি নিরুচ্ছ্বাসের নাসিকাগর্জন, কোনোটাই ঠিক সুস্থ-স্বাভাবিক শিশু অথবা ষণ্ডার লক্ষণ না। রামগড়ুরের ছানা, বা তার ভায়রা ভাইয়ের টালবাহানা, বাংলা-ইংলিশ-আরবি-ফ্রেঞ্চ কোনো উদরের পক্ষেই হ্যাপিকর নয়। বরঞ্চ যখন আপনি দেখবেন যে হেথা-হোথা চারিদিকে কিলবিল কিলবিল করিছে কেবলি ব্রাত্যউদর-হইতে-বেরোনো তস্য অনুকারদিগের ভাবভঙ্গিবিশ্রুত কবিতা-যুক্তিবিদ্যাশাসিতা সাহিত্য, তখন আপনি তিনশ ষাট ডিগ্রি ফিরায়ে আনবেন উচ্ছ্বাস ও শ্রদ্ধা ও ভক্তিমার্গ ও অযুক্তিচোদা সাহিত্যের দিন পুনরায়। ব্যাপারটা আদতে স্রেফ বাইরেকার ঠুলি, ভিতরে রাঙা পদার্থ রহিবার ক্ষেত্রে উচ্ছ্বাস যেমন অন্তরায় না তেমনি নিরুচ্ছ্বাসমার্গী বিভঙ্গিও সুবিধাদায়ী কিছু না। উভয়ে একই জিনিশের দুইভিন্ন উৎসারণ আদতে।

ব্যাপারটা হলো, ট্রেন্ডি যা-কিছু পরিহার করে চলা আপনার পয়লা ফর্জ। যদিও আপনি চারপাশের ব্রাত্যসন্তানদিগের সিরিয়াস অশ্রদ্ধা-অভক্তি-অনুচ্ছ্বাসঋদ্ধ কোবিদগিরি কড়া নজরে খেয়াল করিবেন ঠিকই, কিন্তু ঘুণাক্ষরেও বলতে যাবেন না তাদেরে তেনধারা মানিকচিপা সাহিত্যের সারশূন্য পরিস্থিতি সম্পর্কে। তেমনি উচ্ছ্বাসবাদীদেরে তাদিগের মনের হরষে রজনী-দিবসে উচ্ছ্বাসিয়া যাইতেই দিন। যার যা চায় মনডায় তারে তা-ই দিন করিবারে। কেবল নিজের কাজের গতিমুখ ও বহরের পানে দৃষ্টি নিবদ্ধ করিয়া রাখুন। কিছুই নতুন নয়, কৃষ্ণের লীলাধামে, কেউ চৈতন্যের চ্যালা যদি হয় তো অন্যে অ্যানার্কিবিউটি জিজেকের আধাখেঁচড়া ভারাবনতা ভ্যা-ভ্যা পাঁঠা। এইটা-সেইটা-মানে-দ্যাটমিন্স ইত্যাদির সিরিয়াল আমতা-আমতা এখন অধুনা ফ্যাশন। ডুব দিন, বুঝবেন, এবং মজা পেয়ে  উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়বেন অথবা হবেন দীর্ঘহতাশ্বাসে মুমূর্ষু সর্বখন।

অ্যানিওয়ে। এখন, কথা হলো, কবিতার সংজ্ঞা কারা খুঁজিয়া বেড়ায়, বেল্লিক সেই লোকগুলোরে শনাক্ত করা আবশ্যক কি না। আবশ্যক-অনাবশ্যক নিয়া মাথা ঘামাবার লোকের স্কার্সিটি তো বঙ্গে কদাপি হবার নয়। ডিবি-সিআইডিগিরি করে বেড়ানোতেই এখন বাংলা মাতোয়ারা। কাজেই আপনারে সেইসব মহান দায়িত্বভার বহনের লাইনে যেয়ে কিয়্যু না-দিলেও হয়। বেশ উপকারই তো হয় বলা কর্তব্য। ফলে একটু ধূর্ত হইলে আপনি আপনার নিজের লাইনেই হাঁটবেন, অনুচ্ছ্বাস হোক অথবা ভারবাহী গিদ্ধরের নাসারন্ধ্র দিয়া চাপাশ্বাস বা বাতুল উচ্ছ্বাস, কথা সেইটা না, কথা হইল উন্মাদের ন্যায় আপনি আপনার পাঠক্রম রচে যেতে পারলেন কি না। ব্যাখ্যা বা টীকাটিপ্পনী দিবার লোক সমকালে অল্পই নির্ভরযোগ্য। তবে যে-যা-ই বলুন-না আপনারা, বাংলা নবঢঙা নৈয়ায়িকদিগের খপ্পরে কেউ পড়েছেন তো মুক্তি আপনার সুদূরপরাহত। বঙ্গীয় বদ্বীপসাহিত্যে এখন বর্ত্তমানকালে একমেবাদ্বিতীয়া জাসুসিবৃত্তির জয়জয়কার, অতএব সাধু, ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দিতে চাও তো নিজ-দায়িত্বেই কান্দিও।

তো, কথা হলো : কবিতা কী, কাকে বলে কবিতা, তদুত্তরে ‘কবিতা অনেকরকম’ বলে ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’-র ভূমিকা ফাঁদতে পারেন বৈকি জীবনানন্দ, ওতে আমার সওয়ালের তো সুরাহা হয় না। তবে হ্যাঁ, কবিতা কী করে, দ্যাট-ইজ্-টু-স্যে, কী না করতে পারে কবিতা মানুষের মানসগড়ন পরিবর্তনে, এহেন শ্রদ্ধাগদগদ মুগ্ধাতুর বিস্ময়বিপন্ন সন্ত অথবা গালিগালাজসর্বস্ব ব্রাত্যোদর-ফুঁড়ে-বেরোনো অতিবিপ্লবী জিজেক যা-ই বা যে-কিসিমেরই হোন আপনি, জিজ্ঞাসাতাড়িত হলে একবার ট্রাই করে নিতে পারেন ‘ডেড পোয়েটস্ সোসাইটি’ সিনেমাটা। রবিন উইলিয়ামস্ অভিনীত ও পিটার ওয়্যর পরিচালিত ম্যুভিটি ‘কী করিতে পারে কবিতা’-র এক ছয়শ-ছত্রিশ-পৃষ্ঠা-প্রবন্ধসংকলন-নস্যাৎ-করা দারুণ উত্তর। তবে এইটাও অঠিক নয় যে, যে-জাতি যত সংজ্ঞাহীন অচেতন রতিবিকল, সেই জাতিই তত বেশি কবিতার সংজ্ঞানুসন্ধানী। জীবনে এরা প্যারালাইজড বলেই হয়তো সংজ্ঞা-সংজ্ঞা বলে ঝাঁপ দ্যায় কালযমুনার জলে বারেবার। এই জাতির এমনই বদনসিব যে, এর চিন্তাশীল বলিয়া খ্যাতিযশাকাঙ্ক্ষী অংশটি নিছক পার্কিন্সন্স ব্যারামের ভিক্টিম। অচিকিৎস্য।

অ্যানিওয়ে। এই লোকটার, রবিন উইলিয়ামস্ নাম যার, আজীবনের বইগুলোতে পাট-করা ক্যারেক্টারসমুদয় ভারি পছন্দসই ছিল আমার। যেমনটা আমি পছন্দ করি আল প্যাচিনো। অথবা ডাস্টিন হফম্যান। রবার্ট ডি নিরো অতটা না। জানাতে চেয়েছি এইটুকু উচ্ছ্বাস, শ্রদ্ধা, শোকাভিভূতিপূর্ণ সংবাদ — দুনিয়াবাসীরে এইটা জানানো জরুরি ও জনগুরুত্বপূর্ণ মনে করেছি বলেই এহেন অবহিতকরণ রচনাবতারণা — রবিন উইলিয়ামস্ মরিয়া প্রমাণ করিলেন তিনি মরেন নাই, তিনি উচ্ছ্বাস হইলেন, শ্রদ্ধা কাড়িলেন হেন অত্যুচ্ছ্বাসমুগ্ধ ভক্তিব্যাকুল নোটকারের।

রবিন কাজকর্ম শুরু করেছিলেন স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান হিশেবে। অ্যামেরিক্যান এই অ্যাক্টর যখন হলিউডি ফিল্মপাড়ায় আসেন, ধীরে একটা জায়গা করে নেন নিজের, কমেডিয়ান আর ভাঁড়ের মধ্যে তফাৎ ছিল না আংরেজি সিনেমারাজ্যি জুড়ে। যেমন বলিউডে বা বাংলায় হাস্যরসাত্মক চরিত্রের আমদানি করা হয় কাহিনির সঙ্গে প্রায় সাযুজ্য না রেখেই, চিড়িয়াখানার দাঁতমুখখিঁচানো জন্তু বানিয়ে লোক হাসানো হয়, যেখানে ন্যাচারালিটির লেশমাত্র থাকে না, বাহাত্তরের দিকে রবিনের ক্যারিয়ারসূচনায় ইংরেজি সিনেমাতেও কমেডিয়ান ক্যারেক্টারগুলোর দশা তা-ই ছিল। রবিন প্রথম অভিনেতা যিনি কমেডিয়ান ক্যারেক্টারটাকে স্বাভাবিকতায় এনেছেন। সবাই তাকে এইক্ষেত্রে পথিকৃৎ মান্য করে।

একের পর এক ম্যুভিতে রবিন প্রভাবশালী রোলে প্লে করতে থাকেন, কমেডিয়ান তখন স্বাভাবিক নায়কের স্থলাভিষিক্ত হয় ক্রিটিক-দর্শক সক্কলেরই সায় নিয়ে। এইভাবে একদিন অ্যামি-গ্র্যামি-অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড পর্যন্ত পৌঁছে যেতে রবিনকে বেগ পেতে হয়নি। ‘গ্যুড মর্নিং ভিয়েতনাম’, ‘গ্যুড উইল হান্টিং’, ‘জুমানজি’, ‘নাইট অ্যাট দি মিউজিয়াম’, ‘দ্য অ্যাওয়েইক্নিংস্’ ইত্যাদি সিনেমায় রবিন অভিনয় করেন এবং গোটা ক্যারিয়ারে অ্যাক্লেইম লাভ করেন একের পরে আরেক। ‘ডেড পোয়েটস্ সোসাইটি’ সিনেমার নাম তো উচ্চারণ করা হলোই, কিন্তু বলা হলো না ছায়াছবি হিশেবে এর প্রভাব কতটুকু, হলিউডে এর অভিঘাত আজও অনেক সিনেমায় পাই আমরা, আজও এই সিনেমার আদলে একটা ক্লাসরুম অ্যাক্টিভিটি দেখাতে হয় ইংরেজি সিনেমায়, এই সিনেমার ছায়ায় সিনেমা বানানো হয়, এই সিনেমার রেফ্রেন্সেস্ দর্শকবোধগম্য রেখে এখনও নয়া সিনেমা বানানো হয় এবং তা আনুকূল্য লাভ করে দর্শক-সমালোচকের। ‘ডেড পোয়েটস্ সোসাইটি’ সিনেমার প্রাণ রবিনের অভিনয়।

ব্যক্তিত্বসম্পন্ন কমেডিয়ানের জন্য পথদিশারী রবিন উইলিয়ামস অনেক ফলোয়ার রেখে গেছেন হলিউডি অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে। এই কথাটা প্রায় সকলেই স্বীকার করেন যে রবিন তাদের কমেডিয়ান ক্যারিয়ার বেছে নেবার পেছনে একমাত্র অনুপ্রেরণা। হাস্যরসের ক্যারেক্টার দিয়ে গোটা একটা সিরিয়াস সিনেমা চালিয়ে নেয়া ব্যাপারটার চল শুরু হয় রবিনের মাধ্যমে। এখন আর কাউকে ব্যক্তিত্বসম্পন্ন কমেডিয়ান রোলে ক্যারেক্টারাইজ করার ব্যাপারে ঝুঁকির কথা ভাবতে হয় না। ভাঁড়ামির নাটক-সিনেমা এখন কমেডিয়ানের নাটক-সিনেমা থেকে পৃথক রাখা হয়।

গেল শতকে একান্ন সনে জন্ম, ২০১৪ সনে জীবনাবসান। স্যুইসাইড করেন। ব্যক্তিজীবনে ঝুটঝামেলা তো ছিলই, স্ত্রীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়া, অ্যাংজাইটি আর স্ট্রেস এইগুলো। কোকেইনাসক্তি ছিল, সহকর্মী এক বন্ধুর ড্রাগ-ওভারডোজে আকস্মিক অকালমৃত্যুর পরে ছেড়ে আসেন ড্রাগাসক্তি, ওইটা আশির দশকের ঘটনা। তারপরে ক্যারিয়ারে একের পরে একটা ছায়াছবি। ভীষণ সাক্সেসফ্যুল ক্যারিয়ার। তবু তারে ধরিল কোন ভূত, অব্যাখ্যেয় অন্ধকার, মরিবার হলো তার সাধ।

‘ও ক্যাপ্টেন, মাই ক্যাপ্টেন’ উচ্চারণ শুনলে এখন আর কোনো কবির মুখ নয়, ভাসে এক অনুপম অভিনয়শিল্পীর মুখ, ডেড পোয়েটস্ সোসাইটি সিনেমার সেই শিক্ষকের মুখ, সেই বাচিক ম্যাজিক, সেই ক্লাসরুমের ভিতর প্রায় চেম্বারফিম্লের আদলে এত জঙ্গমপূর্ণ অভিনয়কলার এক ম্যুভি, সেই সংলাপপ্রক্ষেপ, সেই মায়াবাস্তবতা! আর এই সিনেমারই ক্যাপ্টেন, দ্য প্রোট্যাগ্যনিস্ট, রবিন উইলিয়ামস।

লেখা : জাহেদ আহমদ

… …

জাহেদ আহমদ
Latest posts by জাহেদ আহমদ (see all)

COMMENTS