আমি খুব ভালো নেই তুমি ভালো আছো? || মেকদাদ মেঘ

আমি খুব ভালো নেই তুমি ভালো আছো? || মেকদাদ মেঘ

শেয়ার করুন:

‎ষাটের দশকের অন্যতম প্রতিভাবান ও সংবেদনশীল কবি আবুল হাসান আধুনিক বাংলা কবিতায় অনন্য স্বর। তাঁর কবিতায় আত্মত্যাগ, বেদনা, মৃত্যুচেতনা ও নিঃসঙ্গতার অনুভব গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। আবুল হাসান মাত্র এক দশকের সাহিত্যচর্চায় বাংলা কবিতায় স্থায়ী ছাপ রেখে গেছেন। তাঁর প্রকাশিত প্রধান তিনটি কাব্যগ্রন্থ হলো : ‘রাজা যায় রাজা আসে’ (১৯৭২), ‘যে তুমি হরণ করো’ (১৯৭৪), ‘পৃথক পালঙ্ক’ (১৯৭৫)। মারা যাওয়ার পর তাঁর নাটকাব্য ‘ওরা কয়েকজন’ (১৯৮৮) ও ‘আবুল হাসানের গল্পসংগ্রহ’ প্রকাশিত হয়। তাঁর লেখা কিছু জনপ্রিয় কবিতা ও পঙ্‌ক্তি মানুষের মুখে মুখে ফেরে : “অবশেষে জেনেছি মানুষ একা! জেনেছি মানুষ তার চিবুকের কাছেও ভীষণ অচেনা ও একা!”…“আমি বাজে ছেলে, আমি লাস্ট বেঞ্চ, আমি পারবো না!”…“মৃত্যু আমাকে নেবে জাতিসংঘ আমাকে নেবে না”…এ-রকম অজস্র হৃদয় হরণ করার মতো পঙক্তিমালার সন্ধান পাওয়া যায় আবুল হাসানের কবিতায়।

‎হৃৎপিণ্ড থেকে দুটি দুঃখময় জাগরণ চোখের গোলকে এনে
দেখছি তোমাকে, তুমি ভালো আছো?
বুকের বাঁ পাশ থেকে কারুকার্যময় একটি দীর্ঘনিশ্বাস আমি

নিদ্রাহীন আত্মার উপর তুলে চোখ খুলে দেখছি তোমাকে, তুমি ভালো আছো?
বন্যাবিতাড়িত ভীত জলের প্লাবন খাওয়া মানুষের মতো আমি দেখছি তোমাকে,
তুমি ভালো আছো?

বাইরে বিবস্ত্র যুগ, হাহাকার, বাইরে তমসা
বাইরে বাগানে ওরা বসে আছে গোলাপের নামে সব অবগোলাপের দল!
বাইরে কোথাও কোনো মেঘ নেই, নষ্ট নির্মেঘ রাত্রি, কাঁদছে কুকুর!
নেবুর পাতার মতো নিদ্রাহীন আমার নির্জন বুকে বইছে
বাতাস!
মুহূর্তে কোথাও যেন খুলে গেল খুনের দরোজা;
তুমি ভালো আছো?
পৃথিবীতে আজ বড় অবিশ্বাস!
কখনো কান্নার কাছে মুখ নিয়ে মানুষ দেখিনি!
সৌরমাইল দূরে কান পেতে কম্পমান আত্মার ভিতরে আজ অলৌকিক দেখছি তোমাকে,
তুমি ভালো আছো?
‎[তুমি ভালো আছো / আবুল হাসান]

আবুল হাসানের ‘তুমি ভালো আছো’ বাংলা কবিতার অন্যতম হৃদয়স্পর্শী প্রেম ও উদ্বেগের কবিতা। এখানে কবি শুধু প্রিয়জনের খোঁজ নিচ্ছেন না; বরং এক অস্থির, ভাঙাচোরা এবং অবিশ্বাসে ভরা সময়ের মধ্যে মানুষের অস্তিত্বগত নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। “তুমি ভালো আছো?”—এই পুনরাবৃত্ত প্রশ্নটি কবিতার কেন্দ্রীয় সুর। কবিতার শুরুতেই কবি গভীর বেদনা ও উদ্বেগ নিয়ে প্রিয়জনের দিকে তাকান—

“হৃৎপিণ্ড থেকে দুটি দুঃখময় জাগরণ চোখের গোলকে এনে দেখছি তোমাকে…”

এখানে চোখ যেন হৃদয়েরই সম্প্রসারণ। কবি তাঁর সমস্ত অনুভূতি, যন্ত্রণা ও ভালোবাসা দিয়ে প্রিয়জনকে দেখতে চান। তাঁর প্রশ্ন—“তুমি ভালো আছো?”— কেবল আনুষ্ঠানিক কুশলজিজ্ঞাসা নয়; এটি গভীর মানবিক উদ্বেগের বহিঃপ্রকাশ।

সময় ও সমাজচেতনা কবিতার পটভূমিতে রয়েছে এক অস্থির সমাজ—“বাইরে বিবস্ত্র যুগ, হাহাকার, বাইরে তমসা”—“বিবস্ত্র যুগ” একটি শক্তিশালী প্রতীক। এটি নৈতিক অবক্ষয়, মূল্যবোধের সংকট এবং মানবিকতার উলঙ্গ অবস্থাকে নির্দেশ করে। চারদিকে অন্ধকার, হাহাকার, প্রতারণা ও অবিশ্বাস। এই পরিস্থিতিতে কবির একমাত্র চিন্তা—প্রিয় মানুষটি নিরাপদ আছে কি না।

আবুল হাসানের কবিতার প্রধান শক্তি তাঁর অভিনব চিত্রকল্প। “বন্যাবিতাড়িত ভীত জলের প্লাবন খাওয়া মানুষের মতো আমি”—এই উপমায় কবি নিজের অসহায়তা ও উদ্বেগকে বন্যাদুর্গত মানুষের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এতে তাঁর মানসিক বিপর্যয়ের তীব্রতা প্রকাশ পায়। আবার—

“নেবুর পাতার মতো নিদ্রাহীন আমার নির্জন বুকে বইছে বাতাস”

এখানে “নেবুর পাতা” নিঃসঙ্গতা ও কাঁপুনির প্রতীক। কবির বুক যেন সামান্য বাতাসেই কেঁপে ওঠা একটি পাতার মতো অস্থির।

পুনরুক্তির তাৎপর্যও কবিতাকে ভিন্ন দ্যোতনায় নিয়ে যায়। “তুমি ভালো আছো?”—প্রশ্নটি কবিতায় বারবার ফিরে এসেছে। এই পুনরাবৃত্তি কবির উদ্বেগ, অনিশ্চয়তা এবং গভীর প্রেমকে আরও তীব্র করে তোলে। প্রতিবার প্রশ্নটি নতুন অর্থ লাভ করে—কখনো প্রেমের, কখনো ভয়ের, কখনো মানবিক সহমর্মিতার। কবিতার শেষাংশে কবি বলেন—

“পৃথিবীতে আজ বড় অবিশ্বাস!”

এটি শুধু ব্যক্তিগত বেদনা নয়; সমগ্র সময়ের সংকটের ভাষা। মানুষ মানুষকে বিশ্বাস করতে পারছে না, মানবিক সম্পর্ক ভঙ্গুর হয়ে উঠেছে। এমন এক পৃথিবীতে প্রিয়জনের ভালো থাকা যেন এক অলৌকিক আশ্বাস।

আবুল হাসান মুক্তছন্দে কবিতাটি রচনা করেছেন। তাঁর ভাষা আবেগময়, চিত্রকল্পনির্ভর এবং প্রতীকসমৃদ্ধ। দীর্ঘ পঙ্‌ক্তি, প্রশ্নবোধক বাক্যের পুনরাবৃত্তি এবং স্বপ্নময় অথচ বিষণ্ণ চিত্রকল্প কবিতাটিকে অনন্য সৌন্দর্য দিয়েছে। ‘তুমি ভালো আছো’ মূলত প্রেম, উদ্বেগ, মানবিক মমতা এবং সময়ের সংকটের কবিতা। এখানে একজন প্রেমিকের কণ্ঠে সমগ্র মানবজাতির নিরাপত্তাহীনতা ও বেদনা উচ্চারিত হয়েছে। “তুমি ভালো আছো?”—প্রশ্নটি তাই শুধু কোনো একজন মানুষের উদ্দেশে নয়—অস্থির পৃথিবীতে বেঁচে থাকা প্রতিটি মানুষের প্রতি এক গভীর, আন্তরিক এবং চিরকালীন জিজ্ঞাসা।

২.
‘আবুল হাসান’ শিরোনামের কবিতায় ‎শিল্পের গোলকধাঁধা এবং ব্যর্থতার সততা ‎শিল্প ও নিষিদ্ধের টান ফুটেছে। কবিতার শুরুতে “সহোদরাকেও সঘন চুমোর আলুথালু করে খুঁজেছি শিল্প” লাইনটি একটি তীব্র রূপক। এখানে কবি সামাজিক বা নৈতিক সীমানা ভেঙেও কেবল বিশুদ্ধ ‘শিল্প’ বা সুন্দরের সন্ধান করতে চেয়েছেন।‎ দূরত্ব বজায় রাখার আকুতি নিয়ে কবি যাকে ‘ভাবুক’ বলছেন, তাকে নিজের বা নিজেদের পথ থেকে দূরে থাকতে বলছেন। কারণ এই পথটি মোটেও মসৃণ নয়। “আমাদের পথ / ভীষণ ব্যর্থ আমাদের পথ”—এই চরণে এক ধরনের সততা ও হাহাকার আছে। কবি চান না কোনো নতুন প্রাণ বা ভাবুক এই ব্যর্থ ও যন্ত্রণাদায়ক পথে এসে নিজের ক্ষতি করুক। এটি এক ধরনের সুরক্ষামূলক প্রত্যাখ্যান।

‘যুগলসন্ধি’ কবিতার মূল বিষয় নর-নারীর চিরন্তন সংগ্রাম, বিচ্ছেদ এবং সৃষ্টির যুগলবন্দি ‎অপূর্ণতা ও আদিম রূপ। কবিতার শুরুতে ছেলে ও মেয়ের অপূর্ণতা দেখানো হয়েছে—ছেলেটি জল খোঁড়েনি (শ্রম বা স্থায়িত্বের অভাব), মেয়েটি নাকছাবি পরেনি (সংসার বা বন্ধনে না জড়ানো)। তবু তারা জীবনমুখী। ছেলেটি বাস্তবমুখী বা রূঢ় প্রকৃতির প্রতিনিধি (“দিনের ধাবমান রোদ্দুর”), আর মেয়েটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আবেগের প্রতীক (“ঝর্ণার গান”, “সূর্যাস্তের মায়া”)। তাদের এই বৈপরীত্যই সৃষ্টির আদিম নিয়ম। “কত যুগ যায়, কত শতাব্দী যায়!”—মানবসভ্যতার ইতিহাস মূলত এই নর-নারীর যৌথ লড়াই, মহামারী, যুদ্ধ (বল্লম) এবং আত্মত্যাগের ইতিহাস। সমস্ত আঘাত ও বিদ্রোহ পার হয়েও তারা টিকে থাকে। কবিতার শেষে এসে চাকা ঘোরে। ছেলেটি আবার মাটি খুঁড়ে জল আনে (সংসার ও সভ্যতা গড়ে), মেয়েটি আবার নাকছাবি পরে (সংসারে আবদ্ধ হয়)। একে অপরের চোখে তারা সাহস ও ভালোবাসা খুঁজে পায়, যা জীবনের চিরন্তন সত্য।

‘বিচ্ছেদ’ শিরোনামের কবিতায় মূলত আত্মসম্মানবোধ ও কষ্টের চূড়ান্ত অবসান ‎চরম সিদ্ধান্ত বনাম আত্মবিস্মৃতি প্রতিফলিত হয়েছে। কবি কষ্টের তীব্রতা বোঝাতে “আগুনে লাফিয়ে পড়ো, বিষ খাও, মরো”-এর মতো চরম কথা বলেছেন। তবে এর আসল অর্থ শারীরিক মৃত্যু নয়, বরং কষ্টের উৎসকে মন থেকে পুরোপুরি মুছে ফেলা বা ভুলে যাওয়া। মানুষের মোহমুক্তিও প্রয়োজন “সে তোমার কতদূর? কী এমন? কে?”—এই প্রশ্নের মাধ্যমে কবি অপর পক্ষের অসারতা বা দূরত্বকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন। যার জন্য এত কষ্ট, সে আসলে কতটা মূল্যবান বা আপন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।‎ আত্মমর্যাদা রক্ষা নিজের দায়িত্ব। “না হলে নিজের কাছে নত হও, নষ্ট হয়ো না!”—এই লাইনটি দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে অত্যান্ত শক্তিশালী। অন্যের জন্য নিজের জীবন বা চরিত্র নষ্ট করার চেয়ে নিজের ভেতরের অহঙ্কারের কাছে নত হওয়া ভালো। মোহগ্রস্ত হয়ে নিজের অস্তিত্ব বিলীন না করার এক তীব্র আহ্বান এই কবিতা।

‘ঝিনুক নীরবে সহো’ কবিতায় কষ্টকে সৃষ্টিশীলতায় রূপান্তরের দর্শন (Sublimation) প্রকাশিত হয়েছে। ঝিনুক যেমন তার শরীরের ভেতর ঢুকে যাওয়া যন্ত্রণাদায়ক বালুকণাকে নীরবে সহ্য করে, মানুষকেও জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে সেভাবে সহ্য করতে বলা হয়েছে। “ভিতরে বিষের বালি, মুখ বুঁজে মুক্তা ফলাও!”—এটি জীবনের এক পরম দর্শন। বালি যেমন ঝিনুকের জন্য বিষ বা যন্ত্রণা, মানুষের জীবনে দুঃখ-কষ্টও তেমনি। কিন্তু ঝিনুক সেই বিষকে মুক্তোয় রূপান্তর করে। কবি মানুষকে আহ্বান জানাচ্ছেন তাদের ভেতরের কষ্ট, বেদনা বা অন্ধকারকে চেপে রেখে তা থেকে সুন্দর কিছু (যেমন শিল্প, সাহিত্য বা মহৎ কোনো কাজ) সৃষ্টি করতে। কবিতায় জীবন, জীবনেই কবিতা বিদ্যমান। ‎কবিতায় জীবনের গভীর ক্ষত, বাস্তবতার আঘাত এবং সেই আঘাতকে সহ্য করে কীভাবে মানুষ টিকে থাকে বা নতুন কিছু সৃষ্টি করে—সেই জীবনবোধই প্রতিফলিত হয়।


৩.
নিসর্গের কবি আবুল হাসানের জীবনযাপনের ভাবনাসমৃদ্ধ অনবদ্য কবিতা ‘জন্ম মৃত্যু জীবনযাপন’। কবিতায় কবির জীবনদর্শনের ঘ্রাণ থেকে যায়।

‎মৃত্যু আমাকে নেবে, জাতিসংঘ আমাকে নেবে না

আমি তাই নিরপেক্ষ মানুষের কাছে, কবিদের সুধী সমাবেশে
আমার মৃত্যুর আগে বোলে যেতে চাই,
সুধীবৃন্দ ক্ষান্ত হোন, গোলাপ ফুলের মতো শান্ত হোন
কী লাভ যুদ্ধ কোরে? শত্রুতায় কী লাভ বলুন?
আধিপত্যে এত লোভ? পত্রিকা তো কেবলি আপনাদের
ক্ষয়ক্ষতি, ধ্বংস আর বিনাশের সংবাদে ভরপুর…

মানুষ চাঁদে গেল, আমি ভালোবাসা পেলুম
পৃথিবীতে তবু হানাহানি থামলো না!

পৃথিবীতে তবু আমার মতন কেউ রাত জেগে
নুলো ভিখিরীর গান, দারিদ্র্যের এত অভিমান দেখলো না!

আমাদের জীবনের অর্ধেক সময় তো আমরা
সঙ্গমে আর সন্তান উৎপাদনে শেষ কোরে দিলাম,
সুধীবৃন্দ, তবু জীবনে কয়বার বলুন তো
আমরা আমাদের কাছে বোলতে পেরেছি,

ভালো আছি, খুব ভালো আছি?
‎[জন্ম মৃত্যু জীবনযাপন / আবুল হাসান]

‘জন্ম মৃত্যু জীবনযাপন’ কবিতায় কবি মানুষের জীবন, মৃত্যু, যুদ্ধ, ভালোবাসা এবং অস্তিত্বের সংকট নিয়ে গভীর মানবতাবাদী চিন্তা প্রকাশ করেছেন। কবি উপলব্ধি করেন যে মৃত্যু অনিবার্য, কিন্তু জীবিত অবস্থায় মানুষ ক্ষমতা, আধিপত্য ও শত্রুতার মোহে বিভোর। তিনি যুদ্ধ ও সংঘাতের অসারতা তুলে ধরে শান্তি, সহমর্মিতা এবং মানবিকতার আহ্বান জানান। কবিতায় আধুনিক সভ্যতার বৈপরীত্যও ফুটে উঠেছে—মানুষ প্রযুক্তির উৎকর্ষে চাঁদে পৌঁছেছে, কিন্তু পৃথিবী থেকে হিংসা, দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূর করতে পারেনি। কবি সাধারণ মানুষের দুঃখ, ভিখিরির গান এবং দারিদ্র্যের অভিমানকে স্মরণ করে মানবজীবনের প্রকৃত বেদনার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

শেষাংশে কবি একটি অস্তিত্ববাদী প্রশ্ন উত্থাপন করেন : জীবনের অধিকাংশ সময় ভোগ, সংসার ও জীবিকা নির্বাহে ব্যয় করলেও মানুষ কতবার সত্যিকার অর্থে বলতে পারে—“ভালো আছি, খুব ভালো আছি?” এই প্রশ্নের মধ্য দিয়ে কবি মানুষের অন্তর্গত শূন্যতা, অপূর্ণতা এবং প্রকৃত সুখের অনুসন্ধানকে তুলে ধরেছেন। কবিতাটি যুদ্ধ ও আধিপত্যের বিরুদ্ধে শান্তি ও মানবতার আহ্বান এবং মানুষের জীবনে প্রকৃত সুখ, ভালোবাসা ও আত্মতৃপ্তির অন্বেষণের এক গভীর মানবিক ভাষ্য।


মেকদাদ মেঘ রচনারাশি
গানপারে আবুল হাসান

শেয়ার করুন:

COMMENTS

error: You are not allowed to copy text, Thank you