সামান্থা রুথ প্রভুর ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ সিনেমাটা দেখলাম আজ। তেলেগু। ভাষা বুঝি না। নিচে ইংরেজি সাবটাইটেল ছিল। ছোটখাটো একটা অডিয়েন্স নিয়া দেখছি সিনেমাটা। আমার আব্বা আর আমার আম্মা, সাথে আমি। সন্ধ্যায় বৃষ্টি হইতেছিল। বেকার। কোনো কাজ নাই আমার। সিনেমা দেখার এই তো সময়…
সিনেমার গল্পটা মোটেও নতুন না। যেইটা ভালো লাগছে, সেইটা হইলো মেইকিং। ডিরেক্টর নন্দিনী রেড্ডি এই সিনেমায় বাড়তি যেইটা মিক্স করেন, সেইটা হইলো সাউন্ড-সিস্টেম। খাতারনাক! সামান্থার ফাইটিং মোমেন্টস, সাথে হাই-ভোল্টেজ ইন্টেন্স সাউন্ড-সিস্টেম—আমার মনে পড়তেছিল ‘রেড-টু’ মুভিতে হেলেন মিরেনের কারে-বইসা ওই প্রলয়ঙ্করী শ্যুটিং-সিন উইথ কলিজা-কাঁপানো সাউন্ড-সিস্টেম। শার্লিজ থেরনরেও মনে পড়তেছিল এক-পলক…ম্যাড-ম্যাক্স ফিউরি রোডের সেই ঐশ্বরিক ক্যারেক্টার ফিউরিওসা।

সামান্থার চোখে ইবলিশের ধোকাবাজি আছে। আমরা পুরুষেরা যেইটারে নাম দিছি, মায়া! খুক…খুক…।
অ্যানিওয়ে, আরেকটা ইন্টারেস্টিং ব্যপারটা এখন বলতেছি ব্রো।
সিনেমা শেষে আম্মারে জিগাইলাম—মেয়েটা কেমন ফাইট করে আম্মা?
আম্মার এক্সপ্রেশনটা মনের ভিতর তুইলা রাখছি। এইরকম কতকিছু এই-মনে তুইলা রাখি, কাভরন…
—ওরে বাপরে! ডেয়ারিং মাইয়া! কী ফাইট কইরলো…
আব্বারে জিগাইলাম—মেয়েটার ফাইট দেখছেন?
আমার বুড়া-হইয়া-যাওয়া শিশুর মতো বাপটা এখন শুধু হাসে। খুব বেশি কথা বলে না। হাসতে হাসতে বললো, ভালো…
—কেমন লাগছে?
—ভালো…
জুলাই ২০২৬

COMMENTS