ম্যাডোনার নয়া অ্যালবাম

ম্যাডোনার নয়া অ্যালবাম

শেয়ার করুন:

পপতারকা ম্যাডোনার নয়া অ্যালবাম আউট হয়েছে এই সবেমাত্র। দুইহাজারছাব্বিশের জুলাইয়ের পয়লা হফতা থেকেই বিশ্বপপতারকার পনেরো নম্বর স্টুডিয়োঅ্যালবাম বাজারে এসেছে। অ্যালবামের টাইটেল ‘কনফেশন্স অন অ্যা ড্যান্সফ্লোর : পার্ট টু’। বহু প্রতীক্ষিত এই সিক্যুয়েলটি রিলিজের মধ্য দিয়ে তিনি দুইহাজারপাঁচের গ্র্যামি-বিজয়ী মূল অ্যালবামটি অর্থাৎ ‘কনফেশন্স অন অ্যা ড্যান্সফ্লোর’ পার্ট ওয়ানের হাই-এনার্জি ডিস্কো এবং ইলেক্ট্রনিক সাউন্ডে ফিরে আসছেন।

পপগায়িকা ম্যাডোনা তার ইনস্টাহ্যান্ডেলে অ্যালবামটির প্রচ্ছদসম্বলিত একটি পোস্টের মাধ্যমে এই খুশখবরটি শেয়ার করেছেন। অ্যালবামপ্রচ্ছদে ম্যাডোনাকে বেগুনি রঙের স্পিকারের উপর মানানসই অন্তর্বাস পরে বসে থাকতে দেখা যায়, যেখানে শিল্পীর মুখটি পিঙ্ক কালার কাপড়ে ঢাকা। পার্পল আর পিঙ্কে মেশা কাভারপিকচারটা। আর এই খবরের সঙ্গে একই পোস্টে একটি টিজারও প্রকাশ করেছেন পপডিভা ম্যাডোনা।

প্রাসঙ্গিক বিবেচনায় উল্লেখ্য, লম্বা টাইমের একটা গ্যাপের পরে ম্যাডোনা অ্যালবাম নিয়া হাজির হলেন। এর মধ্যে প্যান্ডেমিক ও অন্যান্য অনেক বালামুসিবত যুদ্ধজঙ্গ দুনিয়ার উপর দিয়ে গিয়েছে। এই অ্যালবামটা লাস্ট সাতবছরে ম্যাডোনার প্রথম পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম এবং এর মাধ্যমে তিনি ডিজে স্টুয়ার্ট প্রাইসের সাথে একত্রিত হলেন দ্বিতীয়বারের মতো। স্টুয়ার্ট ‘কনফেশন্স অন অ্যা ড্যান্সফ্লোর’ পয়লা পার্টেরও প্রযোজক ছিলেন। সেই অ্যালবামে ‘হাং আপ’, ‘স্যরি’, ‘জাম্প’ ও আরও অনেক হিট গান ছিল।

অ্যালবামটি নির্মাণকালে নিজের এবং স্টুয়ার্ট প্রাইসের একটা যৌথ-ইশ্তেহারের মতো রচনা শেয়ার করে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে ম্যাডোনা জানান, “আমাদের আরও আরও অনেক নাচতে হবে, উদযাপন করতে হবে এবং শরীর দিয়ে প্রার্থনা করতে হবে। এগুলো খুবই বিশেষ এমনকিছু যা আমরা হাজার হাজার বছর ধরে করে আসছি। কেননা এগুলো সত্যিই হিউম্যান রেইসের আধ্যাত্মিক অনুশীলন। সর্বোপরি, ড্যান্সফ্লোর একটি আনুষ্ঠানিক স্থান। এ এমন একটা জায়গা যেখানে আপনি আপনার ক্ষত আপনার বেদনা আপনার ভঙ্গুরতার সঙ্গে আপনি সহাবস্থানমূলক সংযোগ স্থাপন করেন। উদ্দাম নাচ সবসময়ই একটি শিল্প। এইটা আপনার সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করা এবং সমমনা মানুষদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করার একটা ব্যাপার।” অ্যালবামটি তৈরির সময় নিজের এবং প্রোডিউসর প্রাইসের যৌথজবানিতে ম্যানিফেস্টো শেয়ার করে এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে ম্যাডোনা আরও অনেক কথা ব্যক্ত করেন।

ওই ইশ্তেহারপত্রে আরও বলা হয়, “শব্দ, আলো ও অস্তিত্বের কম্পন আমাদের অনুভূতি-উপলব্ধিগুলোকে  নতুন রূপ দেয়। আমাদেরকে এক সম্মোহিত অবস্থায় নিয়া যায়। বেসগিটারের পুনরাবৃত্তি আমরা শুধু শুনিই না, অনুভবও করি। মিউজিক আমাদের চেতনা পাল্টায়া দ্যায় এবং সেইসঙ্গে আমাদের অহং ও সময়জ্ঞান বিলীন করে দ্যায়।”

অ্যালবামটা বাঘা বাঘা প্ল্যাটফর্মগুলায় অ্যাভ্যাইল্যাবল। ওয়ার্নার রেকর্ডস থেকে তেসরা জুলাই দ্বিসহস্রছাব্বিশেই রিলিজড। সবেধন নীলমণি ইউটিউবটা থাকলেও শুনে নিতে পারবেন এক্ষুনি। ‘কনফেশন্স অন অ্যা ড্যান্সফ্লোর : পার্ট টু’ শুনতে শুনতে একসময় টের পাবেন, অবশেষে ম্যাডোনার গানেও মরণভাবনা জায়গা করে নিলো। মর্বিডিটি অর্থে মৃত্যুচিন্তা নয়, দার্শনিক অর্থে এক শান্ত স্বাভাবিক মৃত্যুচিন্তা।

জিপিডেস্ক


গানপারে ম্যাডোনা

শেয়ার করুন:

COMMENTS

error: You are not allowed to copy text, Thank you