লেখক: পাপড়ি রহমান
কথাসাহিত্যিক

ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ২১ || পাপড়ি রহমান
২১.
কাচের চুড়ির মতো চুরচুর করে বরফ ভেঙে এলাম স্নোবুটের তলা দিয়ে। তাও এই সক্কাল সক্কাল! সামনের লনটা একমাস আগেও নিবিড় সবুজে মাখোমাখো ছিল। ঘাসের সবুজ ...

কথাসাহিত্যে মেঘপাহাড় ও ওয়াসি আহমেদ || পাপড়ি রহমান
মৃত্যু নিশ্চিত আছে জেনেও মৃত্যুর এক অলৌকিক ভ্রমণের কথা এত সাবলীলভাবে বয়ান করেন যে-লেখক, তাঁর প্রতি সিরিয়াস পাঠকের ঝুঁকে পড়াটাই স্বাভাবিক ছিল।
‘For wh...

ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ২০ || পাপড়ি রহমান
২০.
মন হয়ে থাকে ভোরের শিউলির মতো নাজুক। বড় বেশি সংবেদনশীল! পলকা বাতাস উড়ে গেলেই টুপ করে ঝরে পড়ে মাটিতে। ঝরে-পড়া শিউলির চোখে লেগে থাকে সারারাতের অশ্...

ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ১৯ || পাপড়ি রহমান
১৯.
ব্যাটে-বলে মিলে যাওয়া বন্ধুত্ব খুব অল্প জুটেছে এ-জীবনে। হয়তো আমি নিজেরই স্বভাবদোষে হয়েছি আলাদা। নিজেরই শতসহস্র দোষে ছিটকে পড়েছি পথের প্রান্তে। ...

ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ১৮ || পাপড়ি রহমান
১৮.
মেঘ ও বৃষ্টির প্রগাঢ় আলিঙ্গনের মিতালী ছিল আজও। পরশুর স্নোফলের কারণে একেবারে লয়াল প্রেমিকের মতন আইস জমে ছিল কঠিনভাবে। দেবর মিঠু দক্ষ ড্রাইভার। ও...

ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ১৭ || পাপড়ি রহমান
১৭.
পাঁচতলায় কাচের বিশাল জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আছি। মনোযোগ দিয়ে বাইরে তাকাচ্ছি—সরু সরু, প্রায় সুতার মতো তুলো উড়ছে। ফ্লারি! ফ্লারি! ফ্লারিরা উড়তে উড়ত...

ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ১৬ || পাপড়ি রহমান
১৬.
মানুষ কি নিজের কাছে নিজেই ক্লান্ত বোধ করে না? কেউ করুক বা না করুক আমি তো করি। এমনকি প্রচণ্ড ক্লান্তিতে ভেঙেচুরে নুয়ে পড়ি। হাজার কাজের মাঝেও আমা...

ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ১৫ || পাপড়ি রহমান
১৫.
ছোটকালে ভয় পাওয়া ভূতদের সাথেও যে এইভাবে কোনোদিন দেখা হয়ে যাবে, দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারি নাই।
কিন্তু আমি না ভাবলেই বা কী? আমার ভাবাভাবির বিন্দুমা...

ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ১৪ || পাপড়ি রহমান
১৪.
আকাশের তারারা ঝাঁক বেঁধে মাটিতে নেমে এলে কীরকম অলৌকিক দৃশ্য জন্ম নেবে, স্বচক্ষে দেখবার সৌভাগ্য হলো আজ। তারা-বিছানো কোনো পথ ধরে হেঁটে গেলে কতটা ...

ফরেস্ট সিটি দিনপত্রী / ১৩ || পাপড়ি রহমান
১৩.
সকাল ৭.৫০ ঘটিকায় তিনি তার পেখম মেললেন। আরেহ, তিনি একা নন, পাশে উনার স্ত্রী গোত্রীয় কেউ হবেন। বেশি বয়সে বিবাহিত পুরুষ যেমন স্ত্রীকে হারানোর ভয়ে ...









