ট্যাগগুলো: শুভ্র সরকার

পাখিদের মৃত্যু আকাশ নেয় না, মাটিকেই নিতে হয় || শুভ্র সরকার
পাখি আশ্চর্য—পাখিদের ধ্বনি ও প্রতিধ্বনি কী করে লিখে রাখে আকাশ। পাখি জন্মের আগেও এসেছিল যে বাতাস, সেই বাতাস কী করে পাড়ি দিয়েছিল স্বভাবগত উড়াল। একবার রা...

সব আলো অবশেষে আলোহীনতার দিকে || শুভ্র সরকার
অবাক লাগে না। মানুষের মৃত্যুর খবর শুনতে। এই আকুতি উত্তরের প্রত্যশা করে না। সন্ধ্যা নেমে এলে কারা যেন জেনে যায়—মৃত্যু কেবল মিলনের। তবে মৃত্যুর ঘরবাড়ি আ...

দ্বিতীয় ক্ষেত্রের ইশারা ও ভাবনা || শুভ্র সরকার
দিনের কী অসুখটসুখ করলো নাকি! এমন গুমড়ামুখী হয়ে আছে কেন! মেঘ তুমি বরং দুঃখ জেনে নাও আর পাতা ভরতি নারিকেল গাছ চন্দ্রাস্তকাল। এই যে আমি দোকান থেকে কোথাও ...

মদ ও সন্ধ্যাঘর || শুভ্র সরকার
মানুষের সৃষ্টিশীলতার একটা অনুষঙ্গ হইলো মদ। মানুষ নাকি পৃথিবীতে এসে রেডিমেড পেয়েছিলো ফল। সেই ফলের গাজন থেকেই তখন থেকেই মানুষের সাথে আছে মদ। যাইহোক মদের...

বিস্মৃতির পরিভাষা ও অন্যান্য || শুভ্র সরকার
রি রি রাই
আমার দুঃখের কপাল
কেবল অতিক্রম করা, পার করা
সবকিছুই ইনকমপ্লিট—মুখ কুঁচকে নেয়
বেদনার দাম্পত্য বেয়ে নামে
তোমার সংসারকে আড়ি
দু’টি ঝুমকোজ...

সংক্ষিপ্ততম করে টুকে রাখা ছায়াপাঠ || শুভ্র সরকার
‘মেঘদুস্যুর ছায়া’ কবি মুর্শেদ জামান-এর প্রথম কাব্যগ্রন্থ। ৪৮ পৃষ্ঠার মানে তিন ফর্মার এই বইতে কবিতা আছে মোট ২৭টি। বইটির প্রকাশক বুকিশ। সুন্দর আল্পনার এ...

বাবা, মারা যাবার দিন || শুভ্র সরকার
সেদিন ছিল বুধবার। অন্যান্য দিনের মতো আমারও বিভ্রম ছিল কল্পনার আভরণের। কিছুটা নীরবতার ভিতর, ডুবে যাবার ভিতর সময যেন দীর্ঘ হয়ে উঠছিল। আমি আইসিইউর সামনে...

মঙ্গলশঙ্খ বাজলো তৃণপুষ্পময় || শুভ্র সরকার
আমার দোকানের সামনে চারপাঁচটা তরমুজের আড়ৎ। প্রতিদিনই দেখি বড় বড় ট্রাক থেকে তরমুজ নামছে। এইসব দৃশ্য দেখার মাঝে ভাবি, বিজয় আহমেদের কবিতার কিতাব ‘তরমুজ ফল...

যেভাবে লিখিত হলো ফুলের ফসল || শুভ্র সরকার
‘আমি ফুল না হয়ে কাঁটা হয়ে বেশ ছিলাম’—মান্না দের এই গান আমি অনেকবার শুনেছি। পেছনের দিকের কথা যদি বলি। একদিন আমি রাস্তা ধরে হেঁটে যাবার সময়, একটা দাঁড়ান...










